kalerkantho


যুদ্ধের আগে ও পরে

জার্মান পরিচালক ফ্লোরিয়ান হেংকেল ভন ডোনার্সমার্কের ছবি মানেই বিশেষ কিছু। তাঁর নতুন ছবি ‘নেভার লুক অ্যাওয়ে’ নিয়ে লিখেছেন খালিদ জামিল

৩১ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



যুদ্ধের আগে ও পরে

২০০৭ সালের ‘দ্য লাইভস অব আদার্স’ দিয়েই নিজের জাত চিনিয়েছিলেন ফ্লোরিয়ান হেংকেল ভন ডোনার্সমার্ক। এবার তিনি হাজির নতুন ছবি ‘নেভার লুক অ্যাওয়ে’ নিয়ে। ডোনার্সমার্কের আগের কাজকে যাঁরা প্রশংসায় ভাসিয়েছিলেন তাঁরা বলছেন, এই জার্মান এবার নিজেকেই ছাড়িয়েছে গেছেন অনেকখানি।

কিছুটা মেলোড্রামা আর খানিকটা শীতল যুদ্ধের থ্রিলারের মিশেল ছিল সেবার অস্কার জয় করা ছবিটিতে। ‘নেভার লুক অ্যাওয়ে’তেও আছে একই ধরনের চেষ্টা। ড্রামার সঙ্গে যোগ হয়েছে রোমান্টিকতা। গল্পটা জার্মানির এক তরুণ শিল্পীর। তাঁর আঁকা ছবি কোনো এক পার্টির মতাদর্শের সঙ্গে মিলে যাওয়ায় সেটা নষ্ট করে ফেলেন শিক্ষক। সাফ জানিয়ে দেন, শিল্পীর কোনো দল থাকতে পারে না। সেই ছাত্র কুর্ট বার্নেট প্রেমে পড়ে এলি সিবেন্ডের। কিন্তু ঝামেলা বাধে এলির বাবা অধ্যাপক কার্ল সিবেন্ডকে নিয়ে। একে তো তিনি সম্পর্ক মানতে রাজি নন, তার ওপর নািস বাহিনীর সঙ্গে কার্লের যোগাযোগের খবর চাউর হতে সময় লাগে না মোটেও। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে অধ্যাপক কার্লের ভূমিকা, শেষ দিকে রাশিয়ার হাতে ধরা পড়া এবং সেখান থেকে তাঁর মুক্তিলাভের গল্প নিয়েই সিনেমা। ত্রিশ থেকে ষাটের দশকের জার্মানির চিত্র ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হার মানা জার্মানির যে পুনর্জন্ম সেটার সঙ্গে যুদ্ধের আগের জার্মানির তুলনাও খোঁজা হয়েছে ছবিতে। এ সবকিছুই ডোনার্সমার্ক দেখিয়েছেন প্রধান চরিত্র কুর্টের দৃষ্টিতে। এই কুর্ট মোটেও কোনো কাল্পনিক চরিত্র নয়। বরং বিখ্যাত জার্মান শিল্পী গারহার্ড রিচারের জীবনের অনেক কিছু উঠে এসেছে টম সিলিং অভিনীত এই চরিত্রে।



মন্তব্য