kalerkantho

এখনো হিট

হালে টেইলর সুইফট, এড শিরানের মতো তরুণ গায়করা হিট ঠিকই; কিন্তু ‘বুড়ো’দের বাজারও খারাপ না। ম্যাডোনা, মারায়া ক্যারি আর জেনিফার লোপেজরা এই বয়সেও দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন সমানে। এই বয়সেও তিন গায়িকার সাফল্য রহস্য নিয়ে লিখেছেন লতিফুল হক

৮ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



এখনো হিট

ম্যাডোনা

কনসার্ট, সমাজসেবা কোথায় নেই তিনি। একবার মঞ্চে তাঁর পারফরম দেখলে ধন্দে পড়ে যাবেন,     নাচে-গানে যিনি মাতিয়ে রেখেছেন তিনি ম্যাডোনাই তো! বয়স ৬০! স্বভাবতই কণ্ঠে সেই আগের মাদকতা নেই। কিন্তু মঞ্চে বেপরোয়া ম্যাডোনার সঙ্গে পাল্লা দেবে কে? গায়িকা মনে করেন গানই তাঁর ফিট থাকার মন্ত্র। মঞ্চে হাজারো ভক্তের যে উন্মাদনা দেখতে পান তাতেই নাকি তাঁর বয়স কমে যায়! সংবাদমাধ্যমে ম্যাডোনার বেপরোয়া জীবন নিয়ে নানা গল্প শোনা গেলেও আসলে খুবই নিয়ম মেনে চলেন তিনি। বিশেষ করে খাবার ব্যাপারে। শরীরচর্চাও করেন, তবে গায়িকা বেশি গুরুত্ব দেন খাবারে। ‘আমি বিশেষ কোনো খাবার খাই না, জোর দিই স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের ওপর। আপনি কতটা ফিট থাকবেন সেটা অনেকটাই খাবারের ওপর নির্ভর করে। একটা বয়সের পর এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’ খাবারকে তিনি কতটা গুরুত্ব দেন সেটা বোঝা যায় সপ্তাহ দুয়েক আগে দেওয়া এক বিজ্ঞাপনে; যেখানে মোটা অঙ্কের বেতনে ব্যক্তিগত শেফের জন্য বিজ্ঞাপন দিয়েছেন তিনি।

 

মারায়া ক্যারি

১৬ নভেম্বর তাঁর নতুন অ্যালবাম ‘কশন’ আসছে। অ্যালবামটি নিয়ে তিনি এখন এশিয়া ট্যুরে আছেন। বয়স ৪৮ বছর। আমেরিকান মিউজিক অ্যাওয়ার্ডসে অ্যালবামের একটি সিঙ্গেল ‘উইথ ইউ’ গাওয়ার পর থেকে ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। ‘বুড়ো’ গায়িকাদের মধ্যে যাঁরা এখনো আগের মতোই জনপ্রিয়, মারায়া তাঁদের মধ্যে অন্যতম। কিন্তু তাঁর জন্য কাজটা বেশ কঠিন ছিল। কারণ দীর্ঘদিন বায়োপোলার ডিসঅর্ডারে ভুগেছেন, একটা সময় গানটান ছেড়ে দেবেন বলেও ভেবেছিলেন! ‘আমার ক্যারিয়ারে অনেক ওঠা-নামা আছে। শারীরিক-মানসিক নানা সমস্যা বারবার কাবু করতে চেয়েছে। কিন্তু টিকে গেছি মনের জোরে। এটা আমাকে লড়াই করতে সাহায্য করেছে,’ বলেন মারায়া ক্যারি। মারায়া গানে একেবারেই নতুন কিছু করে বদলে দিতে চাননি। সব সময়ই জোর দিতে চেয়েছেন নিজের শক্তির জায়গায়। এটাই তাঁকে টিকে থাকতে সাহায্য করেছে বলে মনে করেন তিনি।

 

জেনিফার লোপেজ

তাঁর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পারফরম্যান্সের চেয়ে শরীরচর্চার ছবিই বেশি থাকে। তাঁকে বলা যায় ‘ফিটনেস ফ্রিক’। এটাই তাঁকে এখনো সংগীতের প্রতিযোগিতামূলক দুনিয়ায় টিকিয়ে রেখেছে বলে মনে করেন এই গায়িকা। কিছুদিন আগেই যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে টানা শো করেছেন তিনি। ফিট না থাকলে সেটা কিছুতেই সম্ভব হতো না বলে মনে করেন জেনিফার লোপেজ, ‘একের পর এক শহরে টানা শো করে যাওয়াটা খুব কঠিন। এটা আপনার শারীরিক ও মানসিক সামর্থ্যের সর্বোচ্চ পরীক্ষা নেবে। আমি ফিটনেসের কারণেই উতরে গেছি।’ গায়িকা আরো মনে করেন, জোর করে কিছু হয় না। তিনি ফিট থাকতে ভালোবাসেন এবং সে জন্য যেকোনো কষ্ট করতেও রাজি। ফিটনেস নিয়ে নিজের ছাড় না দেওয়ার মানসিকতার জন্যও গর্ব করেন, ‘ফিটনেস নিয়ে নিবিড়ভাবে কাজ করার সিদ্ধান্তের জন্য নিজেকে ধন্যবাদ দিই। জীবনের সেরা সিদ্ধান্ত ছিল এটি।’



মন্তব্য