kalerkantho


পূজায় কী করছেন?

এবারের পূজায় কে কি করছেন তারকারা? শুনেছেন মীর রাকিব হাসান

১১ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০



পূজায় কী করছেন?

জ্যোতিকা জ্যোতি

কলকাতায় থাকা হবে এবার। পূজা শুরুর আগেই যাব। আমার নতুন ছবি ‘রাজলক্ষ্মী শ্রীকান্ত’র টিজার লঞ্চিং, সেখানে উপস্থিত থাকতেই হবে। কলকাতার একটা বড় মণ্ডপে হবে টিজার লঞ্চিং। এরপর কলকাতায় ছবির প্রমোশন করেই কাটাব। বালিগঞ্জ কালচারাল সেন্টারের আয়োজনে অনেক বড় পূজা হবে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১০ তারিখে এটা উদ্বোধন করবেন। আমরা স্টেজে থাকব ১২ অক্টোবর।

এর মধ্যে সময় পেলে বাংলাদেশেও চলে আসার ইচ্ছা আছে। তখন অবশ্যই ময়মনসিংহ যাওয়া হবে।

 

চঞ্চল চৌধুরী

১৯ তারিখ, মানে দশমীর দিন ‘দেবী’ মুক্তি পাবে। প্রথমবার দশমীতে আমার কোনো ছবি মুক্তি পাচ্ছে। প্রমোশন নিয়ে বেশ ব্যস্ত। এখন পর্যন্ত জানি না বাড়িতে যাওয়া হবে কি না। স্ত্রী তো প্রচুর কেনাকাটা করছে। পূজা নিয়ে আসলে আমার চেয়ে ওর ব্যস্ততাই বেশি। সে-ই সব ম্যানেজ করে। আমাকে শুধু বলে দেয়—এইটা এই দিন করবা। আসলে এখন তো আমাদের আনন্দ না। এখন আনন্দ হচ্ছে আমাদের সন্তানদের। ওরা যেন আনন্দটা করতে পারে। সেই দিকটাই খেয়াল করা আমাদের কাজ।

সাধারণত প্রতিবছর পূজায় বাড়িতে যাই। আমরা পাঁচ ভাই, তিন বোন। মা-বাবা গ্রামের বাড়িতেই থাকেন। তাঁদের সঙ্গে পূজায় থাকার প্ল্যান সব ভাই-বোনের। বাচ্চা-জামাইদের নিয়ে বোনরা চলে আসে কোনো কোনো দিন। ব্যস্ততার কারণে অন্য সময় সবাই এক না হলেও পূজার সময় গেট টুগেদার হয়েই যায়। আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব—সবার জন্যই নতুন পোশাক কেনা হয়। পূজার শুরু থেকে সবাইকে দেওয়াও একটা আনন্দ।

 

বাপ্পা মজুমদার

পূজায় একটি গান প্রকাশ করার প্ল্যান রয়েছে। আমার সুর ও সংগীতে গানটি লিখেছেন শেখ রানা। ‘পরী’ গানটিও লিখেছিলেন রানা। নতুন গানটির শিরোনাম ‘বৃষ্টিমুখর দিন’। এই পূজার আয়োজন তো এখন আর বাড়িতে তেমন করে হয় না। আর মা-বাবা চলে যাওয়ার পর তো রেওয়াজটা আরো কমে গেছে। বাইরেই বড় করে হয়। প্রস্তুতি বলতে তেমন কিছু নেই। কাছের মানুষদের নতুন কিছু উপহার দেব। সেটা তো বরাবরের মতো চলবেই। এবার পূজার সময়টা ঢাকার বাইরে থাকা হবে। দেশের বিভিন্ন স্থানে ‘উন্নয়ন কনসার্ট’ করছি। কনসার্ট থাকলেও স্থানীয় পূজামণ্ডপ ঘুরে আসব। নতুন একটা অভিজ্ঞতা হবে। এই সময়টায় ভোলা, রাজবাড়ী—এইসব এলাকায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। পূজা এবং একই সঙ্গে কনসার্ট বেশ জমবে বলে আশা করছি।

 

কুমার বিশ্বজিৎ

পূজার প্রথম দু-তিন দিন হয়তো ঢাকায় থাকতে পারব। তারপর যেতে হবে কোরিয়া। সেখানে গানের প্রগ্রাম রয়েছে। ছেলেটাও দেশের বাইরে থাকে। ও আসবে হয়তো পূজা শুরু হলে। ওর সঙ্গে বড়জোর এক বা দুই দিন থাকতে পারব। তখন ইচ্ছা আছে ওকে নিয়ে পূজামণ্ডপ ঘুরব। তবে দেশের বাইরে অনেক পূজা বা ঈদের সময়ই আমাকে থাকতে হয়েছে। আশ্চর্য হলেও সত্য, সেখানেও তারা খুব অনাড়ম্বরভাবে উৎসবগুলো পালন করে। গত বছর পূজায় ছিলাম আমেরিকায়, সেখানেও পূজামণ্ডপ তৈরি হয়েছে। আমরা অনেক সময় সেখানে ছিলাম। বেশ মজাই হয়েছে।

 

মৌটুসী বিশ্বাস

বাবার বাড়ি খুলনায় যাওয়ার খুব ইচ্ছা ছিল। কিন্তু হবে বলে মনে হচ্ছে না। ঢাকায়ই থাকতে হবে। ঢাকায় থাকলে পরিবারের সবাইকে নিয়ে বের হই। গতবারও বের হয়েছিলাম। ঢাকার বাইরে না গেলে পূজার সময় সাধারণত কোনো শুটিং রাখি না। মনে হয় এই সময়টা পরিবারের সঙ্গে একান্তভাবে কাটানো দরকার।

দুটি শাড়ি অর্ডার দিয়েছি। আমার শাশুড়ি, বাবা, স্বামী প্রতিবার উপহার দেন। অনেক সময় টাকাও দিয়ে দেন। বলেন, ‘তোমারটা বাবা কষ্ট করে তুমিই কেনো। তুমিও খুশি হলে, আমাদেরও কষ্ট করতে হলো না।’ আমিও নিজের মতো করেই কেনাকাটা করতে পছন্দ করি। তাঁদের টাকা দিয়েই আমার শপিং করছি। পূজার সময় মেয়ে ও স্বামীকে নিয়ে বের হব। ওর অফিস থাকে। অফিস ছুটি হলেই বের হব। পূজায় বাসায় আলাদা করে কিছু করার চেয়ে মণ্ডপে যাওয়াই ভালো, লোকসমাগম হয়। গতবার তো আমার কয়েকজন সহকর্মীও গিয়েছিল বনানী পূজামণ্ডপে। এবারও আশা করছি সবাই মিলে পূজা উপভোগ করব।



মন্তব্য