kalerkantho

facebook থেকে

২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



facebook 
থেকে

দ্য হেভি ওয়াটার ওয়ার

দ্য হেভি ওয়াটার ওয়ার

ওয়ার, হিস্ট্রি

নরওয়ে, জার্মানি, ইংল্যান্ড

 

♦          পারমাণবিক অস্ত্র প্রজেক্টের জন্য হিটলারের দরকার ভারী পানি মানে ডিউটেরিয়াম অক্সাইড। কিন্তু এটা শুধু তৈরি হয় নরওয়ের একটা পাওয়ার স্টেশনে। ব্যাপারটা জানার পর হিটলার বিভিন্নভাবে নরওয়েকে বাধ্য করে জার্মানির কাছে ডিউটেরিয়াম অক্সাইড  সরবরাহ করার জন্য। কিন্তু জার্মানির এই পরিকল্পনা নস্যাৎ করতে হেভি ওয়াটার তৈরি বন্ধ করতে চায় মিত্রশক্তি। আর যারা এই স্যাবোটাজে অংশ নেয় তারাই স্যাবোটিয়ার্স নামে পরিচিত। আর ইতিহাসে একে ‘দ্য হেভি ওয়াটার ওয়ার’ নাম দেওয়া হয়েছে।

            কাহিনি শুরু হয় ১৯৩৩ সালে, হাইজেনবার্গের   নোবেল পুরস্কার বিজয়ের মধ্য দিয়ে। কিছুদিন পরই তাকে নািস বাহিনী সমকামিতার অভিযোগে গ্রেপ্তার করে। কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে পাঠানোর আগে তাকে শর্ত দেওয়া হয় পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে সহায়তার জন্য। বাধ্য হয়ে সেই দায়িত্ব নেয় সে।

            এরপর দৃশ্যে আবির্ভাব ঘটে প্রফেসর লিফ ট্রন্সটাডের, যে কি না ডিউটেরিয়াম অক্সাইড পাওয়ার প্লান্টের অন্যতম মাথা। নরওয়ে থেকে পালিয়ে ইংল্যান্ডে মিত্রবাহিনীর সঙ্গে সে যোগ দেয়। নিজের পছন্দের বাছাই করা কিছু সৈনিক নিয়ে পরিকল্পনা করে পাওয়ার প্লান্ট ধ্বংস করে জার্মানির অস্ত্র তৈরি রুখে দিতে। এভাবেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ সিরিয়ালটাতে রূপ দেওয়া হয়েছে।

            মিত্রশক্তি, জার্মানি, নরওয়ে, পাওয়ার প্লান্ট কম্পানি আর স্যাবোটিয়ার্স—এদের সবার পয়েন্ট অব ভিউ থেকেই কাহিনি এগিয়েছে। ইউরোপের অন্যান্য সিরিয়ালের মতোই সিনেমাটোগ্রাফি আর ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক অসাধারণ ছিল।

            হয়তো প্রতিটি বিষয়ে অ্যাকুরেসি নেই, কিন্তু সব কিছুই এত সুন্দর করে প্রেজেন্ট করা হয়েছে যে যুদ্ধকে কেন্দ্র করে বানানো সিরিয়ালের মধ্যে এটা ওপরের দিকেই থাকবে।

তাজিম রহমান নিশীথ

সিরিয়ালখোর গ্রুপের পোস্ট



মন্তব্য