kalerkantho


ভাইরাল দেশে দেশে

দুনিয়ার নানা প্রান্তের ভাইরাল হওয়া সাত গান নিয়ে লিখেছেন লতিফুল হক

১৯ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০




ভাইরাল দেশে দেশে

‘দেসপাসিতো’ গানের ভিডিওর একটি দৃকজ্ঝ

হোয়াই দিস কোলাবেরি ডি

ধনুশ মূলত অভিনেতা। তবে তিনি গাইতেও পারেন। শুধু যে পারেন তা-ই নয়, তিনি গাইলে তৈরি হয় নতুন ইতিহাসও। এই যেমন ২০১১ সালে হয়েছিল ‘হোয়াই দিস কোলাবেরি ডি’র ক্ষেত্রে। ‘৩’ ছবির জন্য একটা হালকা মেজাজের গানের দরকার ছিল। মাত্র দশ মিনিটেই সুরটা তৈরি করে ফেলেন অনিরুদ্ধ রবিচন্দন। তাতে কথা বসান ধনুশ নিজেই। এরপর গেয়েও দেন। বাকিটা ইতিহাস। তামিল ছবির গান হলেও ২০১১ সালের ১৬ নভেম্বর মুক্তির পর ভারতজুড়েই ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। ভারত থেকে ইউটিউবে সবচেয়ে বেশি সার্চড গানও হয় এটি। পরে ইউটিউব থেকে বেশ কয়েকটি স্বীকৃতিও পায় গানটি।

 

গ্যাংনাম স্টাইল

দক্ষিণ কোরিয়ান গায়ক সাইয়ের গান রাতারাতি সারা দুনিয়ায় ঝড় তোলে। ২০১২ সালে মুক্তির পরই তরুণরা আক্রান্ত হয় ‘গ্যাংনাম’ জ্বরে। এটি ইউটিউবের প্রথম ভিডিও হিসেবে বিলিয়ন ভিউয়ার পায়। এখন পর্যন্ত দেখা হয়েছে তিন বিলিয়নেরও বেশিবার!

 

দেসপাসিতো

পুয়ের্তো রিকোর নাম কজনই বা জানত। কিন্তু এক গানই যেন রাতারাতি দেশটিকে পরিচিত করে দিয়েছে সারা দুনিয়ায়। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে লুই ফন্সি ও ড্যাডি ইয়াংকির ‘দেসপাসিতো’ তৈরি করেছে নতুন ইতিহাস। ইউটিউবে গানটি দেখা হয়েছে পাঁচ বিলিয়নেরও বেশি বার, যা একটি রেকর্ড, ৪৭ দেশের টপ চার্টের শীর্ষে উঠেছিল গানটি। বিলবোর্ডের টপ চার্টের শীর্ষে ছিল রেকর্ড ১৬ সপ্তাহ। সব মিলিয়ে রেকর্ডের শেষ নেই ‘দেসপাসিতো’র। মূল স্প্যানিশ গানটি মুক্তির কয়েক মাস পরে জাস্টিন বিবার গানটির একটি ইংরেজি রিমিক্স সংস্করণ প্রকাশ করেন, যা ‘দেসপাসিতো’কে আরো বেশি পরিচিতি দেয়।

 

আই সে ইউ তে পিগো

শ্যারন অ্যাসিওলি ও আন্তোনিও দেগসের গাওয়া এই ব্রাজিলিয়ান গান ২০০৮ সালে মানুষের মুখে মুখে ফিরেছে। ব্রাজিলের একটি ব্যান্ডের জন্য তৈরি হয়েছে গানটি, পরে যা কাভার হিসেবে গেয়েছেন বিভিন্ন দেশের শিল্পীরা। পরে গানটির একটি ইংরেজি সংস্করণও বের হয় ‘ওহ, ইফ আই ক্যাচ ইউ’ নামে। এখন পর্যন্ত দেখা হয়েছে ৮০ কোটিরও বেশি বার।

 

বেবি শার্ক ডান্স

গানটির কথাগুলো দারুণ, শোনামাত্রই পছন্দ হয় যে কারো। এ জন্যই দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যান্ড ‘পিংকফং’-এর গাওয়া গানটির এত আবেদন। শিশুদের জন্য তৈরি গানটি দেখা হয়েছে প্রায় দেড় বিলিয়ন বার।

 

সি ইউ এগেইন

‘ফিউরিয়াস ৭’-এর অফিশিয়াল থিমটি জনপ্রিয় হয়েছিল পল ওয়াকারের জন্যই। ছবির শুটিংয়ের সময় মারা যাওয়া অভিনেতাকে উত্সর্গ করে গানটি গেয়েছিলেন উইজ খলিফা আর চার্লি পুথ। আবেগঘন গানটি দ্রুতই সারা দুনিয়ার তরুণদের পছন্দের গানে পরিণত হয়, হয় ইউটিউবে সবচেয়ে বেশি ভিউয়ার পাওয়া মিউজিক ভিডিও। যে রেকর্ড পরে ‘দেসপাসিতো’ ভেঙে দিয়েছে।

 

দ্য গামি বিয়ার সং

গামবিয়ারের গানটি নতুন ইতিহাস তৈরি করেছে। কারণ ইনডিপেনডেন্ট কোনো গায়কের গাওয়া এটাই একমাত্র গান, যেটা এক বিলিয়ন ভিউয়ার পেয়েছে।



মন্তব্য