kalerkantho


পরিচালক ভাবনা

ধারাবাহিক নাটকে কমই দেখা গেছে। সম্প্রতি নাগরিক টিভির জন্য করলেন ‘জোছনাময়ী’। ঘোষণা দিলেন চলচ্চিত্র নির্মাণেরও। আশনা হাবিব ভাবনার সঙ্গে কথা বলেছেন মাহতাব হোসেন। ছবি তুলেছেন আতিক রহমান

১৯ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০



পরিচালক ভাবনা

‘আমার একটা বাড়ি আছে, আছে গাড়ি। তার মানে এই নয়, আমার জীবনে কোনো সংগ্রাম নেই। সংগ্রামটা হতে পারে বেঁচে থাকার, অধিকার আদায়ের বা একেবারেই ব্যক্তিগত কোনো বিষয়ে’—ধারাবাহিক ‘জোছনাময়ী’ সম্পর্কে বলছিলেন ভাবনা।

‘ভয়ংকর সুন্দর’ অভিনেত্রী মনে করেন, নাটকের চরিত্রের এই সংগ্রামের গল্প তাঁর জীবনের ক্ষেত্রেও সমান প্রযোজ্য। প্রত্যেক মেয়েকেই একটা নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যেতে হয়।

আরেকটি ঈদ ধারাবাহিকের খবরও দিলেন। প্রতি ঈদেই বুবনের নতুন গল্প নিয়ে হাজির হন অনিমেষ আইচ। এবারের গল্প ‘বুবনের সংসার’, অভিনয়ে যথারীতি আছেন ভাবনা। কমেডি সিরিজটি নিয়ে ভাবনা বেশ উচ্ছ্বসিত। বেশ কয়েকটি একক নাটকেও অভিনয় করছেন। আর চলচ্চিত্র?

তাঁর প্রথম ছবি ‘ভয়ংকর সুন্দর’ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা দুটোই হয়েছে। পুরনো প্রসঙ্গ টেনে ভাবনা বলেন, ‘আলোচনা-সমালোচনা তো থাকবেই। তবে অভিনেত্রী হিসেবে আমি তুষ্ট। ছবিটির জন্য এমন কিছু দারুণ মানুষের প্রশংসা পেয়েছি, যেটা আমার পথচলায় প্রেরণা জোগাবে। এখনো বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উত্সবে অংশ নিচ্ছে ছবিটি। এসব ভালো খবর।’

নতুন ছবির আপডেট কী? ‘এখনো আলাপ-আলোচনা পর্বেই আছে। এখনই কিছু বলতে চাই না, আগে চূড়ান্ত হোক।’

নতুন তথ্য দিলেন ভাবনা, শিগগির পরিচালনায় নামবেন। নিজের লেখা গল্প থেকে বানাবেন স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। এর বেশি আপাতত জানাতে চাইলেন না।

অবধারিতভাবে চলে এলো ভাবনার লেখালেখি প্রসঙ্গ। বইমেলার ১৭তম দিনে তাম্রলিপি প্রকাশ করে তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘গুলনেহার’। মাত্র ১১ দিনে বইটির দ্বিতীয় সংস্করণও ফুরিয়ে যায়। এ কারণে সামনের বইমেলায় নতুন লেখা চাইছেন প্রকাশক।

‘লেখালেখির অভ্যাসটা পেয়েছি বাবার কাছ থেকে। পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ার সময়ই আমার প্রথম গল্প একটি সংকলনে বইমেলায় আসে, আমি তখন রাইফেলস পাবলিক স্কুলে পড়তাম। তবে এবারই প্রথম উপন্যাস লিখলাম। আমি জানি, অভিনেত্রী ভাবনার কিছু ভক্ত আছে, তারাই হয়তো বই কিনেছে। লেখিকা ভাবনার পাঠকরা বই কিনলে আমার আরো বেশি ভালো লাগবে।’

অবসরে প্রচুর বই পড়েন ভাবনা। তাঁর পছন্দের লেখকদের মধ্যে রয়েছেন গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস, আবুল বাশার, শহীদুল জহির ও শাহাদুজ্জামান।



মন্তব্য