kalerkantho


ফেসবুক থেকে

১৭ মে, ২০১৮ ০০:০০



ফেসবুক থেকে

কার্বন

কার্বন

ভাষা : মালায়ালাম

ধরন : অ্যাডভেঞ্চার, ড্রামা, থ্রিলার

♦ সিনেমার নামটা বেশ কৌতূহলোদ্দীপক। গল্প বেকার যুবক সিবি সেবাস্টিয়ানকে নিয়ে। সিবি জীবনে বড় হতে চায়। কিন্তু পরিশ্রম করে জীবনে সফলতার হাসি হাসতে  সে নারাজ। সে বেছে নিয়েছে শর্টকাট রাস্তা। তার কাজ হলো কথায় চিঁড়ে ভিজিয়ে, কলা হাতে ধরিয়ে গাছসমেত চম্পট মারা। সোজা কথায় বললে ঠগ। তবে এটাই তাকে ঠেলে দেয় জীবনের সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তার দিকে। সিনেমার পরিচালক ভেনু গোপালান, যাঁর পরিচালনায় মুন্নারিয়িপ্পু (২০১৪) সিনেমাটি আমার বেশ পছন্দের। খুব গভীর একটা কাজ ছিল সেটা। এবার অপেক্ষাকৃত হালকা থিমে কাজ করেছেন। গত সিনেমায় পেয়েছিলেন মামত্তিকে, এবারে ফাহাদ ফাসিল। এই অভিনেতারাই পুরো ছবি একা টেনে যাওয়ার ক্ষমতা রাখেন। সিনেমার গল্প খুবই সাধারণ হলেও সফল হওয়ার স্বপ্নে বিভোর যুবকের ভূমিকা দারুণভাবে রূপায়ণ করেছেন তিনি। সিনেমা দেখার সময় মনে হয়েছে এ চরিত্র তাঁর চেয়ে ভালো কেউ পারতেন না। চোখ নাচিয়ে কথা বলা, লাজুক হাসি রেখে গোবেচারা ভাব ধরা—তাঁর চেহারার এই স্বভাবজাত ভঙ্গিগুলোকে চমৎকার দেখিয়েছেন তিনি। পরিচালক এই চরিত্রটিকে যেভাবে রূপ দিতে চেয়েছেন তাতে পুরোপুরি মিশে গেছেন ফাহাদ ফাসিল। বাকি চরিত্রগুলোর মাঝে সৌভন শাহির স্বল্প সময়ে ভালো ছিল। সিনেমাটোগ্রাফার হিসেবেও ছিলেন পরিচালক ভেনু গোপালান। এর আগে মুন্নারিয়িপ্পু (২০১৪), সেলুলয়েড (২০১০)-এর মতো সিনেমাগুলোয় তাঁর সিনেমাটোগ্রাফি দেখেছি। এই দুটি সিনেমার সিনেমাটোগ্রাফিই বেশ ভালো ছিল কিন্তু কার্বনে তেমন কাজ পাইনি। শটগুলো ততটা গভীর নয়। ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলিংটাকে আরো গুরুত্ব্ব দেওয়া উচিত ছিল। সিনেমার শুরুটা একটু বিরক্তিকর হলেও পরে পুষিয়ে দিয়েছেন পরিচালক। ছবির শেষটা যদিও উল্টো-দারুণ চমকপ্রদ। শুরুতে বলেছিলাম সিনেমার নামটা বেশ কৌতূহলোদ্দীপক। এ নামকরণের কারণটা সিনেমায় স্পষ্ট। আমরা জানি, কার্বনের দুটি বহিরূপ—কয়লা ও হীরক। এ সিনেমায় ফাহাদের চরিত্রটাই হলো কার্বন, তাঁর চরিত্রে এ দুটি রূপই বিদ্যমান, যা পুরো সিনেমায় প্রকাশিত হয়েছে।

 

মো. মামানুর রশিদ তানিম

ব্লকবাস্টার সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি লাভার বাংলাদেশ গ্রুপের পোস্ট

[ঈষৎ সম্পাদিত]



মন্তব্য