kalerkantho


আকৃতির মধু সময়

‘স্যাটারডে স্যাটারডে’, ‘ইসকি উসকি’ ও ‘ওয়াদা করো’র মতো জনপ্রিয় গানের গায়িকা আকৃতি কাক্কর। তাঁর গাওয়া বাংলা গান ‘তোকে নিয়ে যাবো হানিমুন’ এখন বেশ আলোচিত। লিখেছেন সজল সরকার

২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



আকৃতির মধু সময়

২০০৪ সালে প্লেব্যাক শুরু করেছিলেন আকৃতি কাক্কর। তবে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন অনেক দেরিতে। বছর তিনেক আগে হিন্দি সিনেমা ‘হামটি শর্মা কি দুলহানিয়া’য় গাওয়া ‘স্যাটারডে স্যাটারডে’ তাঁকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে নিয়ে আসে। গান যে তাঁর জীবনের ছন্দ রচনা করবে তা কে-ই বা জানত। বাংলা, হিন্দি, পাঞ্জাবি—তিন ভাষাতেই বাজিমাত করেছেন। ‘পাগলু’ সিনেমায় ‘পাগলু’, ‘চ্যালেঞ্জ ২’-এর ‘পুলিশ চোরের প্রেমে পড়েছে’ গানগুলো হিট করলে বাংলাদেশি সিনেমা ‘ছায়াছবি’তে গাওয়ার সুযোগ পান। এতে আকৃতির গাওয়া ‘মন’ অনেকেরই খুব প্রিয়। এবার টালিউডের সিনেমা ‘হানিমুন’-এর টাইটেল গেয়ে ভক্তদের প্রশংসায় ভাসছেন গায়িকা। রেডিও মির্চির বাংলা গানের টপচার্টে বর্তমানে তিন নম্বরে অবস্থান করছে গানটি। গানটিতে স্যাভির সঙ্গে দ্বৈত কণ্ঠ দিয়েছেন আকৃতি। কথা-সুরও স্যাভির। শ্রোতাদের মতে, গানে দুই শিল্পীর কণ্ঠের সঙ্গে সোহম ও শুভশ্রীর রসায়ন বেশ জমে গেছে। সঙ্গে যোগ হয়েছে মনোরম দৃশ্যায়ন। আর তাতেই গানটি চারদিকে ছড়িয়ে যাচ্ছে।

সদা হাস্যোজ্জ্বল আকৃতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সরব। টুইটারে তাঁর আপডেট থাকে নিয়মিত। ভালোবাসা দিবসে ভক্তদের উদ্দেশে গান শেয়ার করেন নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে। ‘পেয়ার কা এক অর রং’ গানটি পোস্ট করে ভালোবাসা ও বিচ্ছেদের কথাও বলেন তিনি।  

১৯৮৬ সালে দিল্লিতে জন্মগ্রহণ করা আকৃতি বিয়ে করেছেন ব্যবসায়ী চিরাগ আরোরাকে। নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে যেমন পরিশ্রম করেছেন, তেমনি আগলে রেখেছেন ছোট দুই বোনকেও। সুকৃতি ও প্রকৃতি কাক্কর নামের যমজ বোন দুটি তাঁর চেয়ে ৯ বছরের ছোট। তাঁরাও সংগীতের সঙ্গে নিজেদের জড়িয়েছেন।

এখন খুব জনপ্রিয় হলেও এ পর্যন্ত আসাটা আকৃতির জন্য মোটেও সহজ ছিল না। পাঁচ বছর বয়স থেকে নিজে নিজে গানের চর্চা করতেন। তবে বাবার চোখ ফাঁকি দিয়ে খুব বেশি দূর এগোতে পারেননি। পরবর্তী সময়ে কাজ হলো বাবার শর্ত মেনে নিয়ে। বাবা তাঁকে কথা দিয়েছিলেন কলেজের পরীক্ষায় যদি ভালো নম্বর থাকে তাহলে মুম্বাই গিয়ে গান শেখার অনুমিত দেবেন। ব্যস, কাজ হয়ে গেল তখনই। ভালো ফলের পুরস্কার হিসেবে তাঁকে মুম্বাাইতে গান শেখার অনুমতি দেওয়া হলো। বড় শিল্পীদের সান্নিধ্যে এসে ধীরে ধীরে আকৃতি নিজেও বড় হতে লাগলেন। 



মন্তব্য