kalerkantho

দেশে দেশে

‘ক্যাসাব্লাংকা’র অনুপ্রেরণায় বিভিন্ন দেশে তৈরি হয়েছে বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র। সেগুলো নিয়ে লিখেছেন নাসরিন হক

২৩ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



দেশে দেশে

কিউবা [১৯৭৯]

১৯৫৮ সালের কিউবা বিপ্লবের প্রেক্ষাপটে নির্মিত। শন কনারি ও ব্রুক অ্যাডামসের এ ছবির অনুপ্রেরণা ক্যাসাব্লাংকা।

পরিচালক রিচার্ড লেস্টার অবশ্য কখনোই ক্যাসাব্লাংকার অনুপ্রেরণা স্বীকার করেননি। তাঁর মতে, এটা পুরোপুরি রাজনৈতিক চলচ্চিত্র। এ ছবির শেষ দৃশ্য দুই ভাবে শুট    করা হয়—একটি বেদনার অন্যটি সুখের। শেষ পর্যন্ত ‘ক্যাসাব্লাংকা’র ট্র্যাজিক সমাপ্তিই    অনুসরণ করা হয়।
কাবোব্লাংকো [১৯৮০]

জে লি থমসনের ‘ক্যাসাব্লাংকা’র এই রিমেকে অভিনয় করেন চার্লস ব্রসনান, ডমিনিক সান্ডা আর জেসন রবার্ডস। মরক্কোর বদলে প্রেক্ষাপট এখানে পেরু, যেখানে কাবোব্লাংকো নামের রেস্তোরাঁ চালান গিফ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে খানিকটা বদল আনা হয় ছবিতে। এই রিমেক আসলটির ধারেকাছেও যেতে পারেনি। সমালোচকরা নেতিবাচক রিভিউ দেন, দর্শকরাও মুখ ফিরিয়ে নেয়।

আরমান [১৯৮১]

গোয়ায় পর্তুগিজ আধিপত্যের মধ্যে ভারতীয়দের স্বাধীনতার জন্য সংগ্রামের গল্প। রাজ বাব্বর করেন এক বার মালিকের চরিত্র, ক্যাসাব্লাংকায় যেটা রিক। আর ইলসার চরিত্র করেন রঞ্জিতা কউর। ক্যাসাব্লাংকার গল্প থেকে সরে এসে ছবিতে স্বাধীনতাসংগ্রামকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়। মুক্তির আগে কালজয়ী ‘ক্যাসাব্লাংকা’র সঙ্গে মিল থাকায় অনেক প্রত্যাশা তৈরি হলেও সামান্যই  পূরণ করতে পেরেছে ‘আরমান’।

ফার ইস্ট [১৯৮২]

জন ডুইগানের এই অস্ট্রেলিয়ান রিমেক অবশ্য বক্স অফিসে ভালোই ব্যবসা করে। ব্রায়ান ব্রাউন ও হেলেন মরস অভিনীত ছবিটি ‘ক্যাসাব্লাংকা’র ঠিক ৪০ বছর পর মুক্তি পায়। গল্পটা এমন—সাংবাদিক জন বেল তাঁর স্ত্রী হেলেন মরসকে নিয়ে দূরপ্রাচ্যে যাত্রা করেন, যেখানে তাঁদের দেখ হয় এক অস্ট্রেলিয়ানের সঙ্গে, যে কি না একটি নাইটক্লাব চালায়। এই অস্ট্রেলীয় হলেন হেলেনের     সাবেক প্রেমিক!

বার্ব ওয়্যার [১৯৯৬]

‘ক্যাসাব্লাংকা’র সায়েন্স ফিকশন রিমেক। দ্বিতীয় আমেরিকান গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে আনা হয় গল্প। সবচেয়ে বড় চমক মূল চরিত্র। প্রধান চরিত্র করেন একজন নারী—বারবারা [পামেলা অ্যান্ডারসন], যে কি না মুক্তাঞ্চলে একটা নাইটক্লাব চালায়। সেখানে এক রাতে হাজির হয় তার পুরনো প্রেমিক। ডেভিড হোগানের এই ছবি বক্স   অফিসে ভয়াবহ ফল করে, নিন্দিত হয় সমালোচকদের কাছেও।


মন্তব্য