kalerkantho


অস্কারে আত্মীয়

বেন অ্যাফ্লেকের পর এবার অস্কার জিতলেন তাঁরই ছোট ভাই কেসি অ্যাফ্লেক। পরিবারের একাধিক সদস্যের অস্কার জয় অবশ্য এই প্রথম নয়। এমন আরো ঘটনা জানাচ্ছেন আনিকা জীনাত

৯ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০




অস্কারে আত্মীয়

ডগলাস শিয়ারার ও নরমা শিয়ারার

সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার ও স্পেশাল ইফেক্ট নিয়ে কাজ করা ডগলাস শিয়ারার সাতবার অস্কার পান। পুরস্কার পেয়েছেন ‘সান ফ্রান্সিস্কো’ (১৯৩৬), ‘থার্টি সেকেন্ডস ওভার টোকিও’ (১৯৪৪) ও ‘গ্রিন ডলফিন’-এর মতো ছবিগুলোতে কাজ করে।

তাঁর ছোট বোন নরমা শিয়ারার অবশ্য ছিলেন পর্দার সামনের মানুষ। ‘ডিভোর্স’ ছবিতে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার জেতেন ১৯৩০ সালে।

 

ডেনিস স্যান্ডার্স ও টেরি স্যান্ডার্স

ডেনিস স্যান্ডার্স ‘আ টাইম আউট অব ওয়ার’ (১৯৫৪) ও ‘চেকোস্লাভিয়া ১৯৬৮’ (১৯৬৯) নামে দুটি প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করে অস্কার জিতেছিলেন। ছোট ভাই টেরি স্যান্ডার্সও অস্কার জেতেন প্রামাণ্যচিত্রের জন্য। ‘মায়া লিন : আ স্ট্রং ক্লিয়ার ভিশন’ অস্কার পায় ১৯৯৪ সালে।

 

লিওনেল ও ইথেল ব্যারিমোর

লিওনেল ‘আ ফ্রি সোল’ ছবির জন্য অস্কার পেয়েছিলেন ১৯৩১ সালে। এর এক যুগ পরই তাঁর ছোট বোন ইথেল ‘নান বাট দ্য লোনলি হার্ট’ (১৯৪৪) ছবিতে পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় করে অস্কার জিতেছিলেন।

 

ক্রিস ও নিল কোরবোল্ড

বড় ভাই অস্কার জেতার ১০ বছর আগেই ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট ক্যাটাগরিতে ছোট ভাই ক্রিস অস্কার জিতেছিলেন ‘গ্লাডিয়েটর’-এর জন্য। ‘গ্রাভিটি’র জন্য ক্রিস পরের অস্কারটি পান ২০১৪ সালে।

বড় ভাই নিল ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট ক্যাটাগরিতে অস্কার জিতেছিলেন ২০১০ সালে, ‘ইনসেপশন’-এর জন্য।

 

জেমস গোল্ডম্যান ও উইলিয়াম গোল্ডম্যান

শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার ও চিত্রনাট্যের জন্য জেমস অস্কার পেয়েছিলেন ‘লায়ন ইন উইন্টার’ (১৯৬৮) ছবির জন্য। ছোট ভাই উইলয়ামও চিত্রনাট্যের জন্যই অস্কার পেয়েছিলেন। তা-ও দু-দুবার। প্রথমবার ‘বুচ ক্যাসিডি অ্যান্ড দ্য সানডান্স কিড’ (১৯৬৯), পরেরটি ‘অল প্রেসিডেন্ট’স মেন’-এর জন্য।

 

শার্লি ম্যাকলাইন ও ওয়ারেন বেটি

অভিনেত্রী শার্লি ম্যাকলাইন শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর অস্কার জেতেন ১৯৮৩ সালে। ছবি ‘টার্মস অব এনডিয়ারমেন্ট’। তাঁর ভাই ওয়ারেন বেটি ‘রেডস’ (১৯৮১) ছবির জন্য শ্রেষ্ঠ পরিচালকের ক্যাটাগরিতে অস্কার জেতেন।

 

পল সিলবার্ট ও রিচার্ড সিলবার্ট

দুই ভাই ছিলেন হলিউডের আর্ট ডিরেক্টর। দুজনে মিলে তিনবার অস্কার জিতেছিলেন। বড় ভাই অস্কার জেতেন ‘দ্য প্রিন্স অব টাইড’ (১৯৯১) ছবির জন্য। ছোট ভাই অস্কার ঘরে তুলেছিলেন দুইবার। ‘হু’জ অ্যাফ্রেইড অব ভার্জিনিয়া উলফ’ এবং ‘ডিক ট্রেসি’ ছবিতে কাজ করে।

 

আলফ্রেড নিউম্যান ও লিওনেল নিউম্যান

সুরকার এ দুই ভাইয়ের মোট অস্কার ১০টি! এর মধ্যে আলফ্রেড নিউম্যান একাই পেয়েছিলেন ৯টি। জীবনে তিনি অস্কার মনোনয়ন পেয়েছিলেন ৪৫ বার। ছোট ভাই লিওনেল অস্কার পেয়েছিলেন ‘হ্যালো ডলি’ (১৯৬৯) ছবির জন্য।

 

হারম্যান ম্যানকিউজ ও জোসেফ ম্যানকিউজ

হারম্যান ম্যানকিউজ চিত্রনাট্যে ১৯৪১ সালে ‘সিটিজেন কেন’ ছবির জন্য অস্কার পেয়েছিলেন। ছোট ভাই জোসেফ অস্কার জিতেছিলেন মোট চারবার। পরিচালক হিসেবে অস্কার পেয়েছিলেন ১৯৪৯ সালে [‘আ লেটার টু থ্রি ওয়াইভস’]।

 

বেন অ্যাফ্লেক ও কেসি অ্যাফ্লেক

এবারের অস্কারে কেসি অ্যাফ্লেক সেরা অভিনেতার পুরস্কার পান, যার মাধ্যমে তিনি ও তাঁর ভাই বেন অ্যাফ্লেক অস্কারের ইতিহাসে ১৬তম অস্কারজয়ী সহোদর হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন। বেন অ্যাফ্লেক অস্কার জেতেন ১৯৯৭ সালে। তবে অভিনয় নয়, চিত্রনাট্যের জন্য।

 


মন্তব্য