kalerkantho


জুটোপিয়ার জাদু

অস্কারে সেরা এনিমেশন ছবি ‘জুটোপিয়া’ নিয়ে লিখেছেন মিজানুর রহমান

২ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



জুটোপিয়ার জাদু

শিশুদের জন্য সিনেমা বানাতে ডিজনির জুড়ি নেই। বরাবরের মতো এই সিনেমাটাও শিশুরা ভালোবেসেছে।

ব্যাপক ব্যবসাসফল এই সিনেমাটি অবশ্য সব বয়সের মানুষের কাছেই জনপ্রিয় হয়েছে। শুরুটা হয়, গ্রামের খরগোশ জুডি হবসকে নিয়ে যে পুলিশ হতে চায়। এদিকে তার মা-বাবা তাকে বোঝাতে চেষ্টা করে যে খরগোশদের মাঠে গাজর চাষ করতে হয়। পুলিশের চাকরি তাদের জন্য নয়। কিন্তু জুডি তা শুনবে কেন, নিজের খেয়ালে চলে সে। শেষ পর্যন্ত শহরে এসে পুলিশ হয়েই ছাড়ে। আর তখনই মোক্ষম চ্যালেঞ্জ আসে। একের পর এক রহস্যময় ঘটনার সমাধানে নামতে হয় জুডিকে।

সিনেমার পরিবেশ নির্মাণে মুনশিয়ানার পরিচয় দিয়েছেন পরিচালক ব্যারন হাওয়ার্ড ও রিচ মুর।

মুগ্ধতা জাগানো রঙের ব্যবহার সব বয়সের মানুষকে মোহিত করবে। ‘জুটোপিয়া’ শেখায় ভিন্নতা সত্ত্বেও একসঙ্গে সবাই মিলে কিভাবে ভালো সমাজ গড়ে তোলা যায়। ছবিতে জুডির চোখের রং ইচ্ছা করেই রক্তবর্ণ রাখা হয়েছে, যা তাঁর আত্মবিশ্বাসী চরিত্রেরই প্রতিফলন।

বলা হচ্ছে, ‘জুটোপিয়া’কে পুরস্কার ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এক শিক্ষা দিতেই। অদম্য ইচ্ছার জোরে গ্রাম থেকে জুডির শহরে এসে পুলিশ হওয়া—ঠিক যেন নিউ ইয়র্কের পুলিশ বাহিনীর অনেক সদস্যের জীবনের গল্প। ভয় না পাওয়া, ঘৃণাকে জায়গা না দেওয়া, কোনো অবস্থাতেই নিজের জায়গা না ছাড়া—ছবির এই বক্তব্য আসলে ট্রাম্পকেই একহাত নেওয়া।

গেল বছরের চতুর্থ ব্যবসাসফল ছবি এটি। ১৫ কোটি ডলার বাজেটের সিনেমাটি সারা দুনিয়ায় এক বিলিয়নেয়ারেরও বেশি আয় করে সর্বকালের সেরা ব্যবসাসফল ছবির তালিকায় ২৬ নম্বরে জায়গা করে নিয়েছে। অস্কার ছাড়াও গোল্ডেন গ্লোব, ক্রিটিক চয়েজ অ্যাওয়ার্ডে পুরস্কৃত হয় ‘জুটোপিয়া’।


মন্তব্য