kalerkantho


গানের মানুষ

তৃতীয় ছবিতেই অস্কার, সেরা পরিচালক হলেন ডেমিয়েন শ্যাজেল। বিস্তারিত নাসরিন হকের কাছে

২ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



গানের মানুষ

মাত্র তিন বছর বয়সেই জানিয়েছিলেন তিনি পরিচালকই হতে চান। কিছুদিন আগেই এক সাক্ষাত্কারে পরিচালক বলেছেন, তিনি ‘ত্রিশ বছর ধরে’ সিনেমার মধ্যেই বাস করছেন। তবে ডেমিয়েন শ্যাজেলের জগত্টা শুধু সিনেমাময় নয়, বলা যায় সংগীত-সিনেমাময়। সিনেমার সঙ্গে সংগীতের প্রেমেও পড়েছিলেন, নির্দিষ্ট করে বললে জ্যাজ মিউজিকের। নিজে পারেননি তবে সংগীতকে ঠিকই নিয়ে এসেছেন পর্দায়। এ পর্যন্ত তাঁর মুক্তি পাওয়া সব ছবিতেই ঘুরেফিরে এসেছে জ্যাজ! প্রথম ছবি ‘গাই অ্যান্ড মেডলিন অন আ পার্ক বেঞ্চ’। ২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া মিউজিক্যাল ছবিটি সামালোচকদের প্রশংসা পায়। পরের ‘হুইপলাস’-এ তিনি দেখালেন জ্যাজ শিল্পী হওয়ার স্বপ্নে বিভোর এক তরুণের গল্প। সকাল যদি দিনের পূর্বাভাস হয় এটি ছিল তাই। কারণ ২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া ছবিটি অস্কারে পাঁচটি মনোনয়ন পায়। সেবার অবশ্য শিকে ছেঁড়েনি।

তবে হাল ছাড়েননি শ্যাজেল। আরো শক্ত করে আঁকড়ে ধরেছেন জ্যাজকে। ‘লা লা ল্যান্ড’-এ তিনি দেখান জ্যাজ পিয়ানিস্টের প্রেমের গল্প। কেন বারবার সংগীতনির্ভর ছবি? ‘আমার এটা করতেই ভালো লাগে। ১৯৩০ থেকে ১৯৬০ পর্যন্ত অসাধারণ সব মিউজিক্যাল ছবি হয়েছে। সেগুলো আমার খুব পছন্দ। নিজের ছবিতেও বরাবরই সংগীতেই প্রাধান্য দিতে চাই,’ মত পরিচালকের। তবে অতীতের অনুপ্রেরণা নিলেও সংগীতের মধ্য দিয়ে শ্যাজেল তুলে ধরতে চান এখনকার সময়ের কথাই। এবার অস্কার জিতলেও শ্যাজের জানেন সংগীতনির্ভর ছবি করা বেশ চ্যালেঞ্জের। বিশেষত বক্স অফিসে এসব ছবি সাফল্য পায় না বললেই চলে। কিন্তু তার পরও চ্যালেঞ্জ নিতে আগ্রহী তিনি, ‘সংগীতে ভরসা করা কঠিন, এটা আপনাকে ব্যবসা দেবে না। মৌলিক ছবি বাজার না পেলে সেটা খুবই দুঃখের। তবে আমি এটাই করে যাব। আশা করি এ ধরনের ছবি কিছু মানুষকে অন্তত আশা দেবে। ’

সংগীতনির্ভর ছবি বানাবেন বললেও ঘোষণায় অটল থাকতে পারেননি শ্যাজেল। চাঁদে প্রথম পা রাখা নেইল আমস্ট্রংয়ের জীবন নিয়ে বানাচ্ছেন পরের ছবি। যেখানে আমস্ট্রং হতে পারেন রায়ান গসলিং।


মন্তব্য