kalerkantho


দুবারেই ছিঁড়ল শিকে

বড় ভাই বেন অ্যাফ্লেকের ছায়া থেকে নিজের যোগ্যতায় বেরিয়ে এসেছেন কেসি অ্যাফ্লেক। ‘ম্যানচেস্টার বাই দ্য সি’র জন্য সেরা অভিনেতার অস্কার জেতা কেসিকে নিয়ে লিখেছেন রিদওয়ান আক্রাম

২ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



দুবারেই ছিঁড়ল শিকে

অবশেষে বলা যেতেই পারে বড় ভাইয়ের ছায়া থেকে বের হতে পারলেন তিনি। আর তাতে বেশি খুশি বোধ হয় হয়েছেন ভাই বেন অ্যাফ্লেকই। তিন বছরের ছোট ভাই কেসি অ্যাফ্লেকের নাম যখন ৮৯তম অস্কারের ‘সেরা অভিনেতা’ হিসেবে ঘোষণা করা হলো তখন বেনের অবস্থা ছিল দেখার মতো। আসন থেকে এক ঝটকায় উঠেই ছুটলেন সোজা ছোট ভাইয়ের দিকে। জড়িয়ে ধরে অভিনন্দন জানালেন। আর তা তিনি করতেই পারেন—অ্যাফ্লেক পরিবারে যে অস্কার বিজয়ী এখন দুজন—বেন আর কেসি। কেসিরও বিষয়টি হজম করতে খানিকটা সময় লেগেছে। ধারণা করতে পারেননি ডেনজেল ওয়াশিংটন, রায়ান গসলিং, অ্যান্ড্রু গারফিল্ড আর ভিগো মর্টেনসেনের মতো দুঁদে অভিনেতাদের হারিয়ে দেবেন। ডেনজেল ওয়াশিংটনের কথা তো মঞ্চে গিয়েও স্বীকার করেছেন, ‘প্রথম যে কয়জনের কাছ থেকে অভিনয় শিখেছি তার মধ্যে ডেনজেল একজন। ধন্যবাদ তোমাকে। ’ 

গতবারের ‘সেরা অভিনেতা’ হওয়া লিওনার্দো ডিকাপ্রিওর সঙ্গে যদি তুলনা করতে হয় তাহলে বলতে হয়—‘এলাম, দেখলাম আর জয় করলাম’-এর মতো করেই অস্কার পেয়ে গেলেন কেসি।

জীবনের প্রথম অস্কারটি জিততে ডিকাপ্রিওর যেখানে ছয়টা মনোনয়ন লেগেছিল, সেখানে কেসি পেয়ে গেলেন দ্বিতীয়বারেই। প্রথম অস্কারের মনোনয়ন পেয়েছিলেন ২০০৮ সালে, ‘দ্য অ্যাসাসিনেশন অব জেসি জেমস বাই দ্য কাওয়ার্ড রবার্ট ফোর্ড’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য। তবে সেটা ছিল ‘সেরা সহঅভিনেতা’র মনোনয়ন।

সেই ১৯৮৮ সাল থেকে সিনেমায় অভিনয় করলেও মূল চরিত্র পেতে কেসিকে অপেক্ষা করতে হয়েছে ১৮ বছর। নিজের পরিচয়েই সেটা অর্জন করতে চেয়েছেন তিনি। সেটার ফলই বলা যেতে পারে কেসির এই অর্জন। কেনেথ লনেগান পরিচালিত ‘ম্যানচেস্টার বাই দ্য সি’ ছবিতে কেসিকে দেখা যায় লি চান্ডলার নামের এক তত্ত্বাবধাকের ভূমিকায়। তাঁর কাছে খবর আসে বড় ভাইয়ের হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মারা যান ভাই। আর ভাইয়ের কিশোর ছেলের দেখভালের দায়িত্ব পড়ে লির ওপর। লি চান্ডলারের ভূমিকায় অভিনয়ের জন্য এ বছরের ‘গোল্ডেন গ্লোব’ এবং ‘বাফটা অ্যাওয়ার্ডসে’ও জিতেছেন কেসি।


মন্তব্য