kalerkantho


সেই মিষ্টি মেয়ে

ক্যারিয়ার সবে শুরু, এর মধ্যেই অভিনয়, সম্পর্ক—নানা কারণে আলোচনায় ব্রিটিশ অভিনেত্রী সামান্থা বার্কস। আগামীকাল মুক্তি পাচ্ছে তাঁর তৃতীয় ছবি ‘বিটার হারভেস্ট’। সামান্থাকে নিয়ে লিখেছেন খালিদ জামিল

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



সেই মিষ্টি মেয়ে

‘লা মিজারেবল’-এর সেই মিষ্টি মেয়ে ইপোনাইনের কথা মনে আছে? ওটাই সামান্থা বার্কস। এই ছবি দিয়েই বড় পর্দায় আসা। ‘লা মিজারেবল’-এ অভিনয় করেই জিতলেন সাত পুরস্কার আর আট মনোনয়ন। এটা অবশ্য অনেকেরই জানা। যেটা জানা নেই সেটা হলো ইপোনাইন চরিত্রের জন্য সামাস্থাকে পেছনে ফেলতে হয়েছিল টেইলর সুইফট এবং স্কারলেট জোহানসনের মতো তারকাকে। থিয়েটারের অভিজ্ঞতা তাঁকে অনেকটা এগিয়ে রেখেছিল। পরে প্রমাণ হয়, হিউ জ্যাকম্যান, রাসেল ক্রো আর আন হ্যাথওয়ের মতো তারকার পাশে সামান্থাকে রেখে খুব একটা ভুল করেননি পরিচালক।

অবশ্য এই খ্যাতি কখনোই চাননি সামান্থা, ‘আমি গান গেয়েছি, কারণ আমি গাইতে চেয়েছি। একইভাবে নেচেছি এবং অভিনয় করেছি কারণ সেগুলো করতে আমার ভালো লেগেছে। মানুষের বাহবা চাইনি। ’

শুরু থেকে নাচে ঝোঁক ছিল।

ব্যালে, ট্যাপ, জাজ থেকে শুরু করে আধুনিক নাচেও দক্ষতা আছে। শিখেছেন বাঁশি ও ড্রাম। রয়েছে থিয়েটার ও রক গাওয়ার অভিজ্ঞতাও।  

ইংল্যান্ড এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের মধ্যকার এক স্বায়ত্তশাসিত দ্বীপে সামান্থার জন্ম ও বেড়ে ওঠা। ১৬ বছর বয়সে মা-বাবার সঙ্গে লন্ডনে। নজর কাড়লেন বিবিসির একটি ট্যালেন্ট হান্ট শোতে তৃতীয় হয়ে।    

রুপালি পর্দার মতো ব্যক্তিগত জীবনও সামান্থার বেশ আলোড়নময়। ২০১৪ সাল পর্যন্ত তাঁর প্রেমিক ছিলেন ইংরেজ অভিনেতা ও সংগীতশিল্পী রিচার্ড ফিলসম্যান। ‘লা মিজারেবল’ ছবির পর রাসেল ক্রোর সঙ্গেও তাঁর সম্পর্কের গুঞ্জন শোনা যায়। তাঁর কথিত প্রেমিকের তালিকায় রয়েছেন নিক জোনাস ও ম্যাট জনসনও।   

আগামীকাল মুক্তির অপেক্ষায় সামান্থার নতুন ছবি ‘বিটার হারভেস্ট’। পরিচালক জর্জ মেন্ডেলুক ছবিটি নির্মাণ করেছেন ১৯৩২-৩৩ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে ইউক্রেনের মুক্তি আন্দোলনকে কেন্দ্র করে। সে সময়ে স্ট্যালিন সরকার ইউক্রেনে তৈরি করেছিল কৃত্রিম দুর্ভিক্ষের। এ দুর্যোগের মধ্যেও দুই তরুণের প্রেম নিয়ে গল্প।

‘বিটার হারভেস্ট’ ছবির গল্পটি ইউক্রেন বংশোদ্ভূত কানাডার নাগরিক রিচার্ড ব্যাচিনিস্কি লিখেছিলেন ২০০৮ সালে। ছবিটি প্রযোজনার জন্য আবেদন করেছিলেন ইউক্রেন সরকারের কাছেও। তবে সাড়া পাননি। তিন বছর পর আরেক ইউক্রেনিয়ান কানাডীয় নাগরিক ইয়ান ইনাতোভোস্ক রাজি হলেন ২১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করতে। সিনেমার বেশির ভাগ দৃশ্যই ধারণ করা হয়েছে ইউক্রেনে।  


মন্তব্য