kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


কনসার্ট ফর বাংলাদেশ

২০ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



কনসার্ট ফর বাংলাদেশ

‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’-এর মঞ্চে বব ডিলান

রবিশঙ্করের প্রস্তাব শোনামাত্রই সম্মতি দিয়েছিলেন জর্জ হ্যারিসন। কিন্তু একা তো এ ধরনের কনসার্ট করা যায় না।

কে গাইবে? ‘দ্য বিটলস’ তখন ভেঙেছে, সদস্যদেরে মধ্যে দ্বন্দ্ব। তবু ইগো ভুলে অনেকেই গাইতে রাজি হলো। হ্যারিসনের তাতে মন ভরছিল না। চাই আরো কাউকে। এমন কেউ যে অন্যায়ের প্রতিবাদ সব সময়ই সামনের কাতারে থাকে। প্রস্তাব দেওয়া হলো বব ডিলানকে। অন্যদের মতো তিনি শুনেই ‘হ্যাঁ’ বললেন না। সব সময়ের মতো সময় নিলেন। এর আরো একটা কারণ অবশ্য আছে। ওই সময়টাতে ডিলান খানিকটা স্বেচ্ছা নির্বাসনে ছিলেন। দুই বছর কোনো কনসার্টে গাইতে শোনা যায়নি তাঁকে। এমন কি শেষ মুহূর্ত পর্যন্তও তিনি নিশ্চিত ছিলেন না। ডিলানকে পেয়ে ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ নিয়ে মার্কিন তরুণদের আগ্রহ আরো বাড়ল। জর্জ হ্যারিসনও ডিলানকে পেয়ে খুবই আনন্দিত হয়েছিলেন। ৪০ হাজার টিকিট ফুরিয়ে গেল দেখতে দেখতে। তারপর সেই দিন। ১ আগস্ট, ১৯৭১। একে একে পাঁচটি গান গাইলেন ডিলান। ‘আ হার্ড রেইনস আ-গনা ফল’, ‘ব্লোয়িং ইন দ্য উইন্ড’, ‘ইট টেকস আ লট টু লাফ’, ‘লাভ মাইনাস জিরো/নো লিমিট’ এবং ‘জাস্ট লাইক আ ওম্যান’। শ্রোতারা আত্মহারা হয়ে যান যখন ডিলান ‘ব্লোয়িং ইন দ্য উইন্ড’ ধরেন। কারণ এর আগের সাত বছর জনপ্রিয় এ গানটি কনসার্টে গাননি তিনি! কনসার্ট চলার সময় হ্যারিসন যখন বলেন, আজ ‘ব্লোয়িং’ গাইতে হবে। তখন ডিলানও বলেন তোমাকেও ‘আই ওয়ান্ট টু হোল্ড ইওর হ্যান্ড’ গাইতে হবে। কনসার্ট থেকে সংগৃহীত আড়াই লাখ ডলার ইউনিসেফের মাধ্যমে বাংলাদেশে পাঠানো হয়।


মন্তব্য