kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।

আজরা হাজির

উপস্থাপনা, মডেলিং আর কোরিওগ্রাফিতেই তাঁর যত ব্যস্ততা। ওয়েব সিরিজ ‘কালি’ দিয়ে দীর্ঘ ৯ বছর পর অভিনয়ে ফিরেছেন। আজরা মাহমুদকে নিয়ে লিখেছেন মীর রাকিব হাসান

২০ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



আজরা হাজির

কালি কারো জন্য আশার আলো আবার কারো কাছে সাক্ষাৎ মৃত্যুদূত। অন্যায়ের বিরুদ্ধে একাই লড়ে অতি মানবীয় এই নারী।

অমিত আশরাফের ওয়েব সিরিজ ‘কালি’র প্রধান চরিত্রে অভিনয় করে দারুণ প্রশংসিত হয়েছেন আজরা মাহমুদ। www.bioscopelive.com-এ প্রথম সিজনের পাঁচটি পর্বই দেখা যাচ্ছে।

‘এ রকম গল্প আর চরিত্র পেয়ে অভিনয়ের লোভ সামলাতে পারিনি। অপেক্ষায় ছিলাম কবে শুটিং হবে। বাস্তব জীবনে সবার মধ্যেই কালি বাস করে। আমি নিজেও অনেক সময় নানা ঘাত পেয়েছি। তখন ভাবতাম, যদি এই অন্যায়ের উপযুক্ত শাস্তি দিতে পারতাম। কিন্তু নানা বাধা-বিপত্তির কারণে পারিনি তখন। এ চরিত্রের মাধ্যমে কিছুটা হলেও পেরেছি। ভালো রেসপন্সও পাচ্ছি। শুধু মেয়েদের কাছ থেকে নয়, অনেক ছেলেও প্রশংসা করেছে’, বললেন আজরা।

শুটিংয়ের আগে এক সপ্তাহ ফাইটের ট্রেনিং নিয়েছেন। সবচেয়ে কষ্ট হয়েছে শুটিংয়ের সময়, দিনে টানা ২২ ঘণ্টাও কাজ করতে হয়েছে। ‘তবু আমরা হ্যাপি ছিলাম। কারণ ভিন্ন কিছু একটা করছি। নানা রকমের গল্পই তো হয় আমাদের টিভি নাটকে। কিন্তু এটি সম্পূর্ণ আলাদা’, বললেন আজরা।

২০০৭-এর পর অভিনয়ে আর দেখা যায়নি তাঁকে, ‘কালি’ দিয়ে ফিরেছেন। একসময় অভিনয় করেছেন ‘ডলস হাউজ’, ‘তালা, ‘পারুল সমাচার’, ‘ক্যাটফিশ’-এর মতো প্রশংসিত নাটকে। মাঝের ৯ বছর অভিনয় করেননি কেন?  “কোরিওগ্রাফি আর উপস্থাপনা নিয়েই থাকতে চেয়েছি। র‍্যাম্প মডেলিংও কিন্তু ছেড়ে দিয়েছি। ২০০৪-এ প্রথম কোরিওগ্রাফি করি ‘ইউ গট দ্য লুক’-এ। ২০০৭-এ কোরিওগ্রাফির মেইনস্ট্রিমে আসি লাক্স চ্যানেল আই সুপার স্টার প্রতিযোগিতার মাধ্যমে। এরপর আর অভিনয়ের জন্য সময় করে উঠতে পারিনি”, বললেন আজরা।

অভিনয় নিয়ে এখনো কোনো পরিকল্পনা নেই। নিজেকে অভিনেত্রীও মনে করেন না। তবে ‘কালি’র মতো নতুন কিছু পেলে রাজি, ‘সবাই সব কিছু পারবে, এটি ভাবাও ঠিক নয়। ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে মুখস্থ সংলাপ বলে এলাম, এমন অভিনয় কখনোই করতে চাইনি। ’

ভিন্ন ভিন্ন চ্যানেলে তিনটি ফ্যাশন বিষয়ক শো নিয়মিত উপস্থাপনা করছেন। তবে মূল ব্যস্ততা কোরিওগ্রাফি নিয়েই। এ সপ্তাহেই তাঁর কোরিওগ্রাফিতে অনুষ্ঠিত হলো ‘সানসিল্ক আথ’। আগামী তিন মাসে তাঁর শিডিউল খাতায় কোরিওগ্রাফি ছাড়া আর কোনো কিছুর জন্যই সময় বরাদ্দ নেই।


মন্তব্য