kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


কার ছবি কার হাতে

তিন নায়িকা বদলের পর কেয়া

পারিশ্রমিক, শিডিউল, চিত্রনাট্য, মান-অভিমান, ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ—কত কারণেই না ছবি ছেড়ে দেন প্রতিষ্ঠিত নায়ক-নায়িকারা। সুযোগ পেয়ে যায় নতুন কেউ, খুলে যায় ভাগ্য, জন্ম নেন নতুন কোনো তারকা। এমনই কিছু ছবি আর নায়ক-নায়িকার গল্প নিয়ে ধারাবাহিক এই আয়োজন। আজ থাকছে কেয়ার তারকা হওয়ার কথা

২০ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



তিন নায়িকা বদলের পর কেয়া

ফাইট ডিরেক্টর আরমান ছবি প্রযোজনা করার ঘোষণা দিলেন। পরিচালক মনতাজুর রহমান আকবরকে বললেন একটি রোমান্টিক ছবি নির্মাণ করতে।

আব্দুল্লাহ জহির বাবু পেলেন গল্প লেখার দায়িত্ব। তিন মাস পর ত্রিভুজ প্রেমের গল্প তৈরি করলেন, নাম দিলেন ‘কঠিন বাস্তব’। নায়ক ঠিক হলো আমিন খান ও রিয়াজ। কিন্তু নায়িকা নিয়ে বাধল গণ্ডগোল। শুরুতে পপিকে নেওয়ার কথা থাকলেও আকবরের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির কারণে সেটি হলো না। আরমান বললেন, ‘তাহলে শাবনূরকে নেওয়া যাক!’ রিয়াজ-শাবনূর তখন হিট জুটি। তাঁদের ছবি মানেই হাউসফুল। তাতেও সায় দিলেন না আকবর। শাবনূর তখন বড় তারকা। তাঁর শিডিউল মেলানো খুব কঠিন। তা ছাড়া খামখেয়ালিও বটে। ইচ্ছা হলে সেটে আসতেন, নইলে আসতেন না। আকবর আরমানকে বললেন, ‘শাবনূরের চেয়ে মৌসুমীই ভালো। খুব দ্রুত ছবিটি শেষ করা যাবে। ’ কিন্তু মৌসুমীর সঙ্গে রিয়াজ ও আমিন খানের শিডিউল মেলানো গেল না। নতুন নায়িকা নেওয়ার চিন্তা এলো মাথায়। নায়িকা খুঁজতে খুঁজতে আরো এক মাস কেটে গেল। এর মধ্যেই আব্দুল্লাহ জহির বাবু খোঁজ দিলেন কেয়ার। আকবরকে বললেন, ‘বয়স কম, কিন্তু সুন্দরী একটি মেয়ে আছে। দেখতে পারেন। ’ তিনজন মিলেই গেলেন কেয়ার বাসায়। আরমানের অতটা পছন্দ হলো না। বললেন, ‘ম্যাচিউরিটি কম। ’ আকবরও একমত, তবে বললেন, ‘চার মাস সময় পেলে আমি ওকে শিখিয়ে নিতে পারব। তা ছাড়া রোমান্টিক ছবি। নায়িকা ইনোসেন্ট হলেই ভালো। ’ আরমান রাজি হলেন। শুরু হলো গ্রুমিং। কিভাবে সংলাপ বলতে হয়, নাচ, মারপিট থেকে সব শিখিয়ে নিলেন আকবর। ছবির শুটিং ব্যাংককে। প্রথম দিনের শুটিং দেখেই আরমান অবাক, প্রথম শটই ‘ওকে’। আকবরকে বললেন, ‘এই মেয়েকে দর্শক পছন্দ করবেই। ’

২০০১ সালে মুক্তি পায় ‘কঠিন বাস্তব’। ছবি হিট! অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই শাবনূর-মৌসুমী-পপিদের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠলেন কেয়া।

 


মন্তব্য