kalerkantho

বুধবার । ৭ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


সায়ামির শুরু

প্রথম ছবিতেই পরিচালক হিসেবে পেয়েছেন রাকেশ ওমপ্রকাশ মেহরাকে। বলিউডে সায়ামি খেরের এর চেয়ে ভালো শুরু আর কী হতে পারত। ‘মির্জিয়া’ মুক্তির আগে নবাগত এই অভিনেত্রীর কথা সাজ্জাদ হোসেনের কাছে

৬ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



সায়ামির শুরু

সাঁতার, ব্যাডমিন্টন, বাস্কেটবল থেকে ফুটবল, ক্রিকেট সবই খেলতে পারেন। খেলতে পারেন মানে যেনতেনভাবে নয়, বেশ ভালোই পারেন।

পড়েছেন মুম্বাই সেন্ট জেভিয়ার্সে। সেই সুবাদে খেলার সুযোগ ছিল প্রচুর। সেটি কাজে লাগিয়ে চাইলে যেকোনো খেলাতেই ক্যারিযার গড়তে পারতেন। সেটি না হলেও এখন প্রতি রবিবার ক্রিকেট খেলেন পরিবার আর বন্ধুদের সঙ্গে। হচ্ছিল সায়ামি খেরের কথা। তিনি যে অনায়াসে খেলার জগতে যেতে পারতেন সেটির আরেক কারণ ছেলেবেলা থেকেই তিনি হালকা-পাতলা। উচ্চতাও মন্দ নয়। আর এ কারণেই সুযোগ পেলেন মডেলিংয়ে। আর ল’রিয়েল থেকে লেভিস—বেশ নামও করলেন সে দুনিয়ায়। কিংফিশার ক্যালেন্ডারেও পাওয়া গেছে তাঁকে। তবে শাবানা আজমি আর তানভি আজমিরা যাঁর আত্মীয়, তাঁকে তো অভিনয়ে আসতে হতোই। সেটি হয়েছেও। গত বছর তেলেগু ছবি ‘রে’ দিয়ে শুরু। এরপর হঠাৎ অডিশনের ডাক পেলেন রাকেশ ওমপ্রকাশ মেহরার কাছ থেকে। সেসব শেষ করে সুযোগ পেলেন ‘মির্জিয়া’-য়। ছবিটি মূলত পাঞ্জাবের লোককথা ‘মির্জা সাহেবান’ থেকে অনুপ্রাণিত। প্রথম বলিউড ছবিতে এমন লোক প্রেক্ষপট আর ‘রং দে বসন্তি’, ‘ভাগ মিলখা ভাগ’-এর পরিচালককে পেয়ে উচ্ছ্বসিত সায়ামি, ‘এটি লাইলি-মজনু, হীর-রাঞ্ঝার মতোই লোককথা। এ ধরনের গল্প মানুষ পছন্দ করে। সে হিসেবে প্রথমেই এমন ছবিতে সুযোগ পাওয়া আমার জন্য সৌভাগ্যেরই বলতে হবে। আর রাকেশ স্যারের সম্পর্কে তো নতুন কিছু বলার নেই। ’ তবে বলিউডে প্রথম ছবি নিয়ে সায়ামির এই উত্তেজনা মিলিয়ে গেছে শুটিং শুরুর পরেই, ‘ছবিতে দুটি গল্প আছে। প্রথম কিস্তি শেষে চার মাসের বিরতিতে দ্বিতীয় কিস্তির শুটিং হয়। সবচেয়ে ঝামেলার ছিল দ্বিতীয় কিস্তি মানে লাদাখ পর্ব। ওই সময়ে ওখানে কেবল ভোর ৬টা থেকে মাত্র কয়েক ঘণ্টা সূর্য দেখা যেত। এর মধ্যেই শুটিং সারতে হতো। আমাকে রাত আড়াইটায় উঠতে হতো। কারণ আমার মেকাপ করতে অনেক সময় লাগত। এক চুলের পেছনেই পাক্কা তিন ঘণ্টা লেগে যেত। ’ সায়ামি জানেন এই কষ্ট তাঁর সামনের অনেক পরীক্ষাই সহজ করে দেবে। বিশাল ভরদ্বাজ, ইমতিয়াজ আলি, আনন্দ এল রাই, যোয়া আখতার, শ্রীরাম রাঘবন বলিউডে তাঁর পছন্দের পরিচালক। ভবিষ্যতে কাজ করতে চান তাঁদের সঙ্গেও।

‘মির্জিয়া’-য় সায়ামির নায়ক অনিল কাপুরের পুত্র হর্ষবর্ধন কাপুর। ছবি মুক্তির আগে দুজনের প্রেম নিয়ে অনেক গুজবই রটেছে। যা অস্বীকার করলেও বিষয়টিকে বেশ স্বাভাবিকভাবেই দেখছেন এই অভিনেত্রী, ‘প্রায় বছরখানেক ধরে আমরা শুটিং করেছি। একসঙ্গে অনেক দিন থাকলে মানুষ কত কথাই তো রটাবে। এ নিয়ে ভাবার কিছু নেই। ’

প্রথম ছবি মুক্তির আগেই মণি রত্নমসহ বেশ কয়েকজন পরিচালকের ছবিতে অডিশনের ডাক পেয়েছেন সায়ামি। ছবি মুক্তির পর সংখ্যাটা যে আরো বাড়বে সে ব্যাপারেও আত্মবিশ্বাসী তিনি, ‘ট্রেলার দেখেই অনেকে প্রশংসা করছেন। পুরো ছবিটি দেখলে সবাই আরো খুশি হবেন। আমরা দুজনেই নতুন, কিন্তু অভিনয় খুব খারাপ করিনি। ’


মন্তব্য