kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


কেটও ক্লান্ত হন

হুটহাট প্রেমে পড়তে পারাই নাকি তাঁর চিরতরুণ থাকার রহস্য। ‘দ্য ড্রেসমেকার’ মুক্তির আগে কেট উইন্সলেটকে নিয়ে লিখেছেন খালিদ জামিল

২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



কেটও ক্লান্ত হন

আমি খুব কড়া মা নই ঠিকই, কিন্তু ছেলেমেয়েদের প্রযুক্তি থেকে দূরে রাখি। টিভি-ইন্টারনেট ভালো, কিন্তু এর অনেক ঝামেলাও আছে

জীবনের ৪০শটি বসন্ত কাটিয়ে ফেলেছেন ঠিকই, তবে একটুও ভাটা পড়েনি জনপ্রিয়তায়। পর্দায় আরেকটিবার তাঁকে দেখতে মুখিয়ে থাকে দর্শক।

কিন্তু সেই কেট উইন্সলেট নাকি ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করতে করতে। এবার একটু পার্শ্বচরিত্রে যেতে চান। তবে সেটি হতে হবে শক্তিশালী কোনো চরিত্র, ‘মূল চরিত্রের চ্যালেঞ্জ অনেক বেশি। অনেক তো হলো। তা ছাড়া বয়সের ব্যাপারও আছে। ’ তবে পর্দায় যা-ই হোক, বাস্তবে কেট ভীষণ রোমান্টিক। আর সেটাই নাকি তাঁর প্রাণশক্তির উপাদান। তিন সন্তানের মা কেট এখনো হুটহাট প্রেমে পড়ে যান! এই তো গত বছর ‘দ্য ড্রেসমেকার’ ছবির শুটিংয়ের ঘটনা। লিয়াম হেমসওয়ার্থ ‘দ্য হাঙ্গার গেমস’ ছবির শুটিংয়ে ব্যস্ত থাকায় একসঙ্গে রিহার্সাল করার সময় মেলেনি। কিন্তু শুটিং সেটে আসার পর এক কাণ্ড হলো। প্রথম দিনে হেমসওয়ার্থের নীল চোখের দিকে তাকিয়ে কী যেন হয়ে গেল কেটের। চোখের পলক পড়ে না। এরপর ক্যামেরায় দুজনের রসায়ন জমল বেশ। মূল ঘটনা অবশ্য সেখানেই শেষ। কিন্তু সেটার রেশ এখনো আছে। শুটিংয়ের এত পরেও এখনো সেই ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন শুনতে হয় দুজনকেই। হেমসওয়ার্থ এটাকে শুধুই ‘তাত্ক্ষণিক রসায়ন’ ছাড়া আর কিছুই বলতে নারাজ। কেট অবশ্য সুযোগ পেলেই বিষয়টি মনে করিয়ে দেন সহ-অভিনেতাকে, আর লজ্জায় লাল হয়ে যান হেমসওয়ার্থ। এই তো দিন কয়েক আগে ছবিতে দুজনের চুম্বনের দৃশ্য নিয়ে কথা বলেছেন কেটের মেয়েও। তাঁর নাকি এটা দেখে হিংসা হয়েছে। তাঁদের এই রসায়নে জল ঢেলে দিয়েছেন এক সাংবাদিক। ছবির প্রচারণায় একজন কেটকে মনে করিয়ে দেন, তাঁর আর হেমসওয়ার্থের বয়সের ব্যবধান পাক্কা ১৪ বছরের। ‘তাই নাকি! আমি তো গুগল করিনি’ বলে সে প্রসঙ্গ এড়িয়ে যান কেট।

ছবি মুক্তির আগে গত এক সপ্তাহ নিয়মিত প্রচারণায় বেরিয়েছেন অভিনেত্রী। ছবি তুলেছেন, ভক্তদের অটোগ্রাফ দিয়েছেন। কিন্তু মুক্তির পরই হয়তো আবারও ‘হারিয়ে’ যাবেন তিনি। কারণ ছবি মুক্তির আগে ছাড়া তাঁর কোনো খবরই পাওয়া যায় না। না আছেন কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে, না থাকেন কোনো পার্টিতে। ‘আমি কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেই। এসব আমার পোষায় না,’ নিজেই বলেছিলেন তিনি। নিজে তো ব্যবহার করেনই না, বাড়িতে বাচ্চাদেরও প্রযুক্তি থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন তিনি, ‘আমি খুব কড়া মা নই ঠিকই, কিন্তু ছেলেমেয়েদের প্রযুক্তি থেকে দূরে রাখি। টিভি, ইন্টারনেট—এগুলোর অনেক ঝামেলাও আছে। ’ তাই পরের ছবি না আসা পর্যন্ত আপাতত ‘দ্য ড্রেসমেকার’-এর কেট উইন্সলেটকে মনে করেই অপেক্ষা করতে হবে ভক্তদের।

একই নামের উপন্যাস অবলম্বনে জ্যাকলিন মুরহাউজের ছবি ‘দ্য ড্রেসমেকার’। এক মধ্যবয়সী নারী বহুদিন পর গ্রামে ফিরে আসে। ওপরে ওপরে সেলাইয়ের কাজে ব্যস্ততা দেখালেও সে আসলে এসেছে প্রতিশোধের মিশন নিয়ে। অস্ট্রেলিয়ান এই ছবিটি গত বছর থেকে এ পর্যন্ত মুক্তি পেয়েছে অনেক দেশে, প্রদর্শিত হয়েছে বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তি পাবে আগামীকাল।


মন্তব্য