kalerkantho


তাঁরাও কম কিসে

দিন বদলেছে। ছবি তৈরির সিংহভাগ অর্থ শুধু নায়ক-নায়িকার ব্যাংক অ্যাকাউন্টেই যায় না, পরিচালকের অ্যাকাউন্টেও যায়। কখনো কখনো সেটা নায়ক-নায়িকাদের চেয়েও বেশি। টালিউডের পরিচালকের পারিশ্রমিকের কথা জানাচ্ছেন নূসরাত জাহান

১৬ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



তাঁরাও কম কিসে

কলকাতার চলচ্চিত্রের হিট নায়ক হিসেবে দেব, প্রসেনজিত্রা যতই কামান না কেন, টাকার অঙ্কের বিচারে একজন ছাড়িয়ে গেছেন সবাইকে। তিনি শ্রীজিৎ মুখার্জি।

ছবিপ্রতি পারিশ্রমিক নিচ্ছেন ২৫ লাখ রুপি করে। তার পরও তাঁকে দিয়ে ছবি বানাতে লাইন দেন প্রযোজকরা। কারণটা সোজা—শ্রীজিতের পরিচালিত ছবি মানেই ‘হিট’। এমনকি শ্রীজিতের নাম শুনলে নাকি নায়ক-নায়িকারা পর্যন্ত রাজি হয়ে যান ডিসকাউন্টে কাজ করতে। এমনও হয়েছে, পরিচালক শ্রীজিৎ মুখার্জি, তো অভিনেতারা সম্মানী কমিয়ে দিলেন ৪০ শতাংশ!

প্রযোজক শ্রীকান্ত মেহতার মতে, শ্রীজিতের পরই টালিউডে ক্যামেরার পেছনে ছড়ি ঘোরাচ্ছেন কৌশিক গাঙ্গুলী। তাঁর পারিশ্রমিক ১৫ থেকে ২০ লাখ রুপি। আর কমলেশ্বর মুখার্জি নিচ্ছেন ১০-১৫ লাখ। অরবিন্দ শীলও দশের নিচে কথা বলেন না।

এবার জনপ্রিয় পরিচালক জুটি নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখার্জির কথা না বললেই নয়।

তাঁরা শুধু ছবি বানিয়ে দিয়েই ছেড়ে দেন না, ব্যবসার শেষটাও দেখে ছাড়েন। তাঁদের আছে নিজস্ব বাণিজ্য-কৌশল। যৌথভাবে তাঁরা ছবিপ্রতি নিচ্ছেন গড়ে ২০ লাখ করে।

হালের তুমুল জনপ্রিয়তা পাওয়া ‘বেলাশেষে’র জন্য এ পরিচালক জুটি নিয়েছিলেন ৩০ লাখ! এখানেই শেষ নয়, শর্তানুযায়ী ছবির আয়ের একটা অংশও তাঁরা পান।

এ দুই পরিচালক অনেক টাকা নিয়ে নিচ্ছেন কি না—এমন প্রশ্নের মোক্ষম জবাবটা দিলেন প্রযোজক রায়চৌধুরী। বললেন, ‘আরে আমার কাছে তো ওরাই আসল কাস্ট। পরিচালকদের বেশি বেশি টাকা দিতে আমার মোটেই কোনো আপত্তি নেই। সিনেমার গল্প হলো রাজা, আর পরিচালকরাই হলেন তারকা। ’

এ তো গেল অপেক্ষাকৃত কম বাণিজ্যিক ছবির হিসাব। আগাগোড়া বাণিজ্যিক ছবির পরিচালকরাও কামাচ্ছেন  দুই হাতে। রায়চৌধুরীর মতে, পরিচালক রাজ চক্রবর্তী, রবি কিনাগি ও রাজীবের আয় এখন যথাক্রমে ৩০, ২৫ ও ১৫ লাখ রুপি।


মন্তব্য