kalerkantho


আসছেন শ্রুতি পাঠক

ফিল্ম ফেয়ার ও স্ক্রিনের পুরস্কারের জন্য মনোনীত হলেও এখন পর্যন্ত পুরস্কারের শিকেটা ছেঁড়েনি, তবু পেয়েছেন অনেক ভক্তের ভালোবাসা। আর সেই শ্রুতি পাঠক এবার আসছেন বাংলাদেশে। সামনের ১১ মার্চ ঢাকায় ‘আ নাইট উইথ বিশাল-শেখর’ অনুষ্ঠানে গাইবেন তিনি। লিখেছেন নূসরাত জাহান

১০ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



আসছেন শ্রুতি পাঠক

কোক স্টুডিওর ভারত আসরের তিনটি সিজনেই ছিলেন শ্রুতি। সেখানে গেয়েছেন ‘কিয়া হাল সুনাওয়া’, ‘গ্লোরিয়াস’, ‘শেডিং স্কিন’ ও ‘হাল ভে রাব্বা’

২০০৪ সালে বেবি ডল সিরিজে ‘লেকে পেহলা পেহলা পেয়ার’ গেয়ে ক্যারিয়ারের শুরু। ২০০৮ সালে ফ্যাশন ছবিতে ‘মার জাওয়া’ গেয়ে জানিয়ে দিলেন গলায় তাঁর বারুদের ঘাটতি নেই। গানও লিখেছেন প্রতিভাধর এ গায়িকা। ২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া ‘দেব ডি’ ছবির ‘পায়েলিয়া’ তাঁরই লেখা। ২০১৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘কাই পো চে’র জন্য লিখেছিলেন ‘শুভারম্ভ’ শিরোনামের গানটি।

শ্রুতি পাঠকের জন্ম ১৯৮২ সালের ২৭ অক্টোবর। শৈশব থেকে গানের চর্চা চলছে। শুরু থেকে এখনো স্টেজ মাতিয়ে চলেছেন। ২০১২ সালে মতিলাল নেহরু ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি এলাহাবাদের আয়োজনে কালরব-২০১২ উৎসবের মধ্যমণি ছিলেন তিনি। একই বছর বিশাল-শেখরের সঙ্গে মাতিয়েছেন ফ্লেয়ার টেকনো কালচারাল ফেস্ট।

কোক স্টুডিওর ভারত আসরের তিনটি সিজনেই ছিলেন শ্রুতি। সেখানে গেয়েছেন ‘কিয়া হাল সুনাওয়া’, ‘গ্লোরিয়াস’, ‘শেডিং স্কিন’ ও ‘হাল ভে রাব্বা’।

২০১৩ সালেই নিজের একটি ব্যান্ড দলের স্বপ্ন থেকে শুরু হয় ‘গজলার’-এর যাত্রা। গজলের আধ্যাত্মিকতা আর তার সঙ্গে ইন্ডি মিউজিকের একটি মিশেল ঘটিয়ে এমন একটি ব্যান্ড গড়ার আইডিয়াটা নিয়ে এক বন্ধুর সঙ্গে আলাপের পরই ওই বন্ধু নামটা দিয়ে দেন। আর কাজের সঙ্গে নামের মিল পেয়ে গজলার নামটাও লুফে নেন শ্রুতি।

গজলের সঙ্গে তাঁরা যোগ করেছেন ড্রাম ও বেজ গিটার। সঙ্গে আছে সারেঙ্গিও। টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শ্রুতি আরো জানালেন, গাজলারে কিছু পুরনো ও নতুনের মিশেল ঘটানো হয়েছে। মেহেদি হাসান থেকে জগজিৎ সিং, গুলাম আলী খাঁ থেকে হালের হরিহরণ, মির্জা গালিব ও মীর তকি মীরের গজল নিয়েও কাজ করেছে শ্রুতির ব্যান্ড।

মঞ্চ আর ব্যান্ড নিয়ে পড়ে থাকলেও সিনেমায় নজর নেই এ শিল্পীর। দীর্ঘ পাঁচ বছর পর প্লেব্যাক করতে যাচ্ছেন ‘ফির সে’ ছবিতে। এরপর কী কী করবেন, ঢাকা সফরে এসে তা নিয়ে মুখ খোলেন কি না, দেখাই যাক।


মন্তব্য