kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।

বিদেশি চলচ্চিত্র

সওলের ছেলে

বিদেশি চলচ্চিত্র বিভাগে সেরা হয়েছে হাঙ্গেরির ছবি ‘সন অব সওল’। জানাচ্ছেন ফয়সল আবদুল্লাহ

৩ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



সওলের ছেলে

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে একটি জার্মান নািস ক্যাম্পের নির্যাতনের খণ্ডচিত্র ‘সন অব সওল’। সওল অসল্যান্ডার নামের এক হাঙ্গেরীয়র দেড় দিনের দিনলিপিতে ফুটে উঠেছে অসউইত্জ বন্দিশিবিরের নািস বর্বরতা।

গত বছর কান চলচ্চিত্র উত্সবে ‘গ্রাঁ প্রি’ জেতে লাজলো নেমেসের এই ছবি। অস্কার পাওয়া দ্বিতীয় হাঙ্গেরিয়ান ছবি এটি। শুধু অস্কারই নয়, গোল্ডেন গ্লোবেও বিদেশি চলচ্চিত্র বিভাগে সেরা হয়েছে ছবিটি।

ছবির কাহিনী ১৯৪৪ সালের অক্টোবর মাসের। কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে বন্দি সওল ‘সন্ডারকমান্ডো’ নামের একটি বিশেষ পদে কাজ করে। এদের কাজ হলো নির্যাতনে মারা যাওয়া বন্দিদের লাশ পুড়িয়ে ফেলা। কাজটা করতে গিয়ে একদিন একটি অর্ধমৃত ছেলের দেহ পায় সওল। গ্যাস চেম্বার ফেরতা ছেলেটির মারা যাওয়ার কথা থাকলেও শরীরটা তখনো শ্বাস নিচ্ছিল। ছেলেটাকে দেখে সওলের ভেতর জেগে ওঠে পিতৃত্ব। ছেলেটাকে নিজের সন্তান বলে মেনে নেয় সে। নিয়মানুযায়ী দেহটাকে ময়নাতদন্ত বিভাগে নিয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু সওল জানে, ময়নাতদন্তের আগে তাকে জীবিত পাওয়া গেলেও মেরে ফেলা হবে। তাই সে তাকে ময়নাতদন্তে না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়। এর মধ্যেই মারা যায় ছেলেটি। তবু সওলের পিতৃত্ব মরে না। সে চায় একজন ইহুদি ধর্মগুরুকে (রাবাই) দিয়ে ছেলেটার যথাযথ শেষকৃত্য করতে। শুরু হয় এক ঝুঁকিপূর্ণ অভিযান। সেটা আবার একপর্যায়ে বিদ্রোহের দিকে মোড় নেয়। একটি বড় মিশনের অংশ হয়ে যায় সওল। অন্যদের সঙ্গে ক্যাম্প ছেড়ে পালানোর পরিকল্পনা করে। কিন্তু শত ঝুঁকির মধ্যেও ওই কিশোরের মরদেহটা হাতছাড়া করে না সওল। শেষকৃত্য তার করা চাই-ই।


মন্তব্য