kalerkantho


মিয়ানমারে নিষেধাজ্ঞার আহ্বান মার্কিন ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক পরিষদের

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১১ নভেম্বর, ২০১৮ ১৭:৫৩



মিয়ানমারে নিষেধাজ্ঞার আহ্বান মার্কিন ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক পরিষদের

রোহিঙ্গা নিধনের অভিযোগে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ক্রিস্টিনা অ্যারিজা।

মার্কিন গণমাধ্যম ফক্স নিউজে সাক্ষাতকারে, ওবামা প্রশাসনের প্রত্যাহার করা নিষেধাজ্ঞা পূনর্বহালেরও আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে, মিয়ানমার সরকার প্রতিশ্রুতি দিলেও রাখাইনে এখনো শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফেরেনি বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন।

এমনকি রোহিঙ্গাদের জাতি-পরিচয় নিয়ে আবারও মিথ্যাচার শুরু করেছে মিয়ানমান। শনিবার মার্কিন গণমাধ্যম ফক্স নিউজে প্রকাশিত প্রতিবেদন জাতিসংঘে মিয়ানমার বিষয়ক রাষ্ট্রদূত বলেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নামের কোনো জাতির অস্তিত্ব নেই। মুসলিম বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ ও সহযোগিতা পাওয়ার জন্যে এ নামের সৃষ্টি করা হয়েছে। তিনি বলেন, ১৯ শতকের দিকে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন করে ব্রিটিশরা।

জাতিসংঘে মিয়ানমার প্রতিনিধি’র হাও দু সুয়ান বলেন, ‘১৯৪৮ সালে ব্রিটিশদের থেকে স্বাধীনতা অর্জনের পর থেকেই বাঙ্গালি মুসলমান নিয়ে সমস্যায় আছে মিয়ানমার। রোহিঙ্গা বিদ্রোদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কারণে আমাদের স্থিতিশীলতা নষ্ট হচ্ছে। যা জাতিসংঘের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। এ মুহূর্তে বাস্তুচ্যুতদের শান্তিপূর্ণ উপায়ে ফেরাতে সরকার কাজ করছে।’

এ অবস্থায় রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানে মিয়ানমারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জোরদারের জন্য মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক পরিষদ।

ইউএসসিআইআরএফ এর ভাইস চেয়ারম্যান ক্রিস্টিনা অ্যারিজা বলেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ অব্যাহত রাখতে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। প্রয়োজনে ওবামা প্রশাসনের প্রত্যাহার করা নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করা উচিৎ। 

রোহিঙ্গাদের জান-মাল, মানবাধিকার এবং তাদের ধর্মীয় স্বাধীনতার বিষয়ে এখনো কোনো নিশ্চয়তা দেয়নি মিয়ানমার। এ অবস্থায় প্রত্যাবাসন রোহিঙ্গাদের আবারও ভয়ংকর পরিস্থিতিতে ফেলতে পারে।

রাখাইনে অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়নি উল্লেখ করে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের আগে সেখানে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে আনার তাগিদ জানিয়েছে ৪২টি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও সামাজিক সংগঠন।



মন্তব্য