kalerkantho


রোহিঙ্গা ইস্যু সংকট আরো বাড়াবে, বাড়তে পারে আঞ্চলিক সংঘাত

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ২২:৫৭



রোহিঙ্গা ইস্যু সংকট আরো বাড়াবে, বাড়তে পারে আঞ্চলিক সংঘাত

এবার এমনই উদ্বেগ প্রকাশ করল জাতিসংঘ। সোমবার ইন্দোনেশিয়ায় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান জেইদ রাদ আল হুসেইন বলেন, রোহিঙ্গা সংকটে আঞ্চলিক নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়তে পারে। সীমান্ত এলাকায় অশান্তি বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। এই বিষয়ে মিয়ানমার সরকারকে সতর্কও করে দিয়েছেন।

রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে প্রথম থেকেই উদ্বেগে জাতিসংঘ। এই সমস্যা আরও বাড়বে বলেই মত তাদের। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধানের মত, ‘ভয়াবহ সংকটের মুখে পড়েছে মিয়ানমার। তাদের আঞ্চলিক নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে।’ 

বর্তমানের মানবাধিকার লঙ্ঘন ভবিষ্যতের সংঘাতে পরিণত হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এই প্রসঙ্গে জেইদ রাদ আল হুসেইন বলেন, ‘প্রায় ৭০ লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলিম নিজেদের বাড়ি-ঘর থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে গণহত্যা এবং জাতিগত নিধনের কারণেই তাঁদের দেশ ছাড়তে হয়েছিল।’ 
আগামিদিনেই এই সংকট আরও বাড়বে বলেই উদ্বেগ প্রকাশ করেন জেইদ রাদ আল হুসেইন।

ইন্দোনেশিয়ায় তিনদিনের সফরে গিয়ে এদিন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান বলেন, ‘আজকের মানবাধিকার লঙ্ঘন ভবিষ্যতের সংঘাতে পরিণত হবে। এই সংকট দেশে দেশে নড়বড়ে পরিস্থিতি তৈরি করবে। যার প্রভাব আর্থিক থেকে সামাজিকক্ষেত্রে পড়তে বাধ্য।’

তিনি বলেন, ‘গত আগস্টে শুরু হওয়া সংঘাত গত কয়েক দশকে শরণার্থী সংকটকে আরও তীব্র করেছে। বহু বছর ধরে বসবাস করলেও রোহিঙ্গা মুসলিমদের অবৈধ অভিবাসী হিসেবেই দেখে মিয়ানমার। ফলে রোহিঙ্গারা সব ধরনের নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত।’ এটাও আগামিদিনে সংকট বাড়াবে বলে মনে করে জাতিসংঘ। সে জন্য মিয়ানমার সরকারের আগাম সতর্ক থাকাও প্রয়োজন বলে মনে করে তারা।

আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মত, মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশ নিয়ে সংঘাতের আবহ তৈরি হয়েছে তার প্রভাব আগামিদিনে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় পড়তে বাধ্য। এর আগেও এই ইসু্যতে মিয়ানমারকে বারবার সতর্ক করেছে আমেরিকা থেকে জাতিসংঘ। কিন্তু, চীনের ‘অঙ্গুলিহেলনে’ কার্যত ডোন্ট কেয়ার ভাব নিয়েই চলছে মিয়ানমার সরকার।



মন্তব্য