kalerkantho


পাঠক রম্য

সাবধান! এদের ভুলেও সাধবেন না কলা-রুটি আর মিষ্টি কুমড়া

জিসান আবেদীন   

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৬:০৮



সাবধান! এদের ভুলেও সাধবেন না কলা-রুটি আর মিষ্টি কুমড়া

আজ সকালে বাসা থেকে নাস্তা করে অফিসে আসতে পারিনি। কাজের চাপে সময়মতো নাস্তা করাও হয়নি। যখন নাস্তার জন্য সময় পেলাম তখন আমাদের ক্যান্টিনে নাস্তাও শেষ। তাই নাস্তার বদলে আনলাম কলা-রুটি। চিন্তা করলাম, আজ কলা-রুটি দিয়েই নাস্তার পর্বটা শেষ করে ফেলি। যথন কলা-রুটি খাচ্ছিলাম ঠিক তখনই বস এসে বেশ কয়েকটা কথা বললেন।

যা কিনা আমার মনে হয়েছে একেবারে ঠিক কিন্তু আসলে এটা কথার কথা। আমাদের মাঝে অনেক কথা প্রচলিত আছে যা আমরা সহজেই বলে ফেলি, কোনোরকম চিন্তা-ভাবনা না করেই বলে ফেলি। অনেক সময় দেখা যায়, এসব কথার জন্য অনেকেই অনেক সময় রাগ হয়ে যায়। আমাদের অনেকের সাথে এ রকমই হয়েছিল অনেক সময়।

আজ আমার বস সেই কথাটাই আবার আমাকে মনে করিয়ে দিলেন।

সেটা হলো, এক বিশেষ সংগঠনের ছাত্রনেতা বা রাজনৈতিক কর্মীদের কলা-রুটি খেতে সাধতে হয় না আর জেল খাটা মানুষদের মিষ্টি কুমড়া খেতে সাধতে হয় না। এতে তারা হয় রাগান্বিত হন না হলে খাবার ত্যাগ করেন।

আসলে এর মাঝে আর একটি সত্যও লুকিয়ে আছে। এর কারণ হলো ছাত্রনেতারা রাজনীতি করতে করতে খাবার সময় পান খুব কম আর নিজ বাড়ি থেকে এত দূরে থাকেন যে খাবার খাওয়ার সময় বের করতে পারেন না আর তাই তাদের পেটের ক্ষুধা নিবারণ করতে তাদের খেতে হয় কলা-রুটি আর চা।

ছাত্রনেতারা (একটি বিশেষ সংগঠনের) তাদের রাজনৈতিক জীবনে এত বেশি কলা-রুটি খান যে তারা কলা-রুটির কথা শুনলেই হয় চটে যান না হলে ওই খাবারই ত্যাগ করেন। ঠিক এমনই একটা বিষয় রয়েছে জেলফেরত মানুষদের বেলায়। তারাও তাদের জেলজীবনে এত বেশি মিষ্টি কুমড়ার তরকারি খান যে তারাও এই মিষ্টি কুমড়ার নাম শুনলেই একই কাজ করেন। তাইত এই দুই ধরনের লোকদের কখনোই সাধতে হয় না কলা-রুটি বা মিষ্টি কুমড়া।

লেখক : জিসান আবেদীন, সংবাদকর্মী
 


মন্তব্য