kalerkantho

পাঁচ শিক্ষার্থীর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা অনিশ্চিত

কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি   

২৫ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কুলাউড়ার প্রাচীনতম বিদ্যাপীঠ কুলাউড়া সরকারি কলেজ। অনেক সুনাম ও খ্যাতির মধ্য দিয়ে এই কলেজ পরিচালিত হলেও বর্তমানে কিছু অনৈতিক কাজের কারণে কলেজের সুনাম ভেস্তে যেতে বসেছে। কলেজটিতে বেশ কিছুদিন ধরে নির্দিষ্ট টাকার কম টাকায় বিভিন্ন পরীক্ষার ফরম পূরণ করে দেওয়ার কথা বলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিভিন্ন দলের ছাত্রনেতারা টাকা নিচ্ছেন। ঘটনার ধারাবাহিকতায় ফরম পূরণের জন্য এক নেতার কাছে টাকা দিয়ে এইচএসসির পাঁচজন পরীক্ষার্থী পড়েছে বিপাকে। তাদের পরীক্ষা দেওয়া অনিশ্চিত।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীদের মাধ্যমে ফরম পূরণ করলে নির্দিষ্ট টাকার চেয়ে অর্ধেক টাকা দিয়ে ফরম পূরণ করা যায়। তাই শিক্ষার্থীরা তাদের মাধ্যমে ফরম পূরণ করতে আগ্রহী হয়ে ওঠে। এবার পাঁচ শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের জন্য কলেজের ছাত্রদল নেতা সাইফুর রহমানের কাছে টাকা জমা দেয়। কিন্তু গত বুধবার অন্য সব পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্র কলেজে বিতরণ করা হলেও ওই পাঁচ পরীক্ষার্থী প্রবেশপত্র পায়নি। পরে শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তারা জানতে পারে ফরম পূরণ না হওয়ায় তাদের প্রবেশপত্র আসেনি। ভুক্তভোগীরা সাইফুরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পায়নি। অথচ আগামী ১ এপ্রিল থেকে তাদের এইচএসসি পরীক্ষা শুরু। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা হলো মানবিক বিভাগের জামিল হাসান, দেলোয়ার হোসেন, প্রিয়াংকা চন্দ, সুইটি আক্তার ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের মো. আবু বকর।

শিক্ষার্থীরা জানায়, তাদের অনেক সহপাঠী ছাত্রলীগ, ছাত্রদল, তালামীযসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতাদের মাধ্যমে কম টাকায় ফরম পূরণ করেছে এবং তাদের প্রবেশপত্রও এসেছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সাইফুর রহমান বলেন, ‘এ বছর আমি কলেজের ৮২ জন শিক্ষার্থীর ফরম পূরণ করে জমা দিই। কিন্তু কলেজের শিক্ষক জাহিদুর রহমান ও আব্দুল বাকী স্যারের গাফিলতির কারণে ওই পাঁচ শিক্ষার্থীর প্রবেশপত্র আসেনি।’ কলেজের অধ্যক্ষ সৌম্য প্রদীপ ভট্টাচার্য সজল বলেন,  ‘এ মুহূর্তে ওই পাঁচ শিক্ষার্থীর কোনো সুযোগ নেই।’

 

মন্তব্য