kalerkantho

হবিগঞ্জে ইউপি সদস্য ও জয়পুরহাটে নারী খুন

প্রিয় দেশ ডেস্ক   

২৪ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



হবিগঞ্জে ইউপি সদস্য ও জয়পুরহাটে নারী খুন

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যকে (মেম্বার) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। জয়পুরহাট সদর উপজেলায় এক নারীকে তাঁর মেয়ের সাবেক জামাই খুন করেছেন। সাতক্ষীরার তালায় শিয়াল মারার অবৈধ বৈদ্যুতিক ফাঁদে স্পৃষ্ট হয়ে এক স্কুলছাত্র মারা গেছে। এ ছাড়া বাগেরহাটের শরণখোলায় ঘুমন্ত স্বামীকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করেছে এক গৃহবধূ। বিস্তারিত আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে :

বানিয়াচংয়ে ময়না মিয়া (৬০) নামের এক ইউপি সদস্যকে (মেম্বার) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার যাত্রাপাশা মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ময়না মিয়া ৪ নম্বর বানিয়াচং দক্ষিণ-পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ছিলেন। বানিয়াচং থানার ওসি রাশেদ মোবারক জানান, পুলিশ ডোবা থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

জয়পুরহাট সদর উপজেলার পশ্চিম পারুলিয়া গ্রামে শানু বেগম (৪৫) নামের এক নারীকে তাঁর মেয়ের সাবেক জামাই খুন করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার রাতে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকাল ১১টায় তাঁর মৃত্যু হয়।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, দরিদ্র নারী শানু বেগম স্থানীয় ইটভাটায় শ্রমিকদের রান্নার কাজ করতেন। কয়েক বছর আগে একই গ্রামের ফরহাদ হোসেনের সঙ্গে তিনি তাঁর মেয়ে পলি বেগমের বিয়ে দেন। বিয়ের পর বনিবনা না হওয়ায় তাঁদের মধ্যে ছাড়াছাড়ি হলে পলি ঢাকায় গার্মেন্টে চাকরি নিয়ে সেখানেই অবস্থান করেন। কিন্তু ফরহাদ পলিকে ফেরত নেওয়ার জন্য পলির মা শানু বেগমকে চাপ দেন। এ নিয়ে শুক্রবার শানু বেগমের বাড়িতে গিয়ে ফরহাদ বাগিবতণ্ডায় জড়ান। একপর্যায়ে তাঁর মাথায় কাঠের বাটাম দিয়ে আঘাত করেন ফরহাদ। গুরুতর আহত শানুকে বগুড়ার শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করার পর সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পর থেকে ফরহাদ পলাতক রয়েছেন।

সাতক্ষীরার তালায় শিয়াল মারার অবৈধ বৈদ্যুতিক ফাঁদে স্পৃষ্ট হয়ে আরাফাত (৯) নামের তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্র মারা গেছে। আরাফাত উপজেলার নেহালপুর গ্রামের খায়রুল ইসলাম শেখের ছেলে। শুক্রবার সকালে আরাফাত বন্ধুদের সঙ্গে ফুটবল খেলছিল। একপর্যায়ে বলটি স্থানীয় মেহেদী শেখের পোল্ট্রি খামারের কাছে গেলে আরাফাত বলটি আনতে যায়। এ সময় খামারের চারপাশে দিয়ে রাখা বৈদ্যুতিক ফাঁদে পড়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার।

এদিকে ঘুমন্ত স্বামীকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে বাগেরহাটের শরণখোলায় কুমকুম আক্তার শিমু (২৫) নামের এক গৃহবধূকে আটক করে পুলিশে দেওয়া হয়েছে। আহত রুমান মৃধাকে (৩০) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চিকিৎসকরা তাঁকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। শুক্রবার রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার ধানসাগর ইউনিয়নের দক্ষিণ বাঁধাল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহত রুমানের মা রেনু বেগম জানান, রাত আড়াইটার দিকে ঘরে গোঙানির শব্দ শুনতে পান তিনি। শব্দের কারণ তাঁর ছেলের বউয়ের কাছে জানতে চাইলে ছেলের বউ শিমু জানান, বিড়ালে ঝগড়া বাধিয়েছে। পরে ছেলের বাবাকে (নজির মৃধা) ঘুম থেকে উঠিয়ে ওই কক্ষে পাঠালে তিনি ঘরের মেঝে ও বিছানা রক্তে ভেজা দেখতে পান। তখন চিৎকার দিলে শিমু ঘর থেকে বেরিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন।

এদিকে শিমু অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকে তাঁর স্বামী যৌতুকের জন্য তাঁকে মারধর করতেন। নির্যাতন সইতে না পেরে স্বামীকে তিনি মেরে ফেলতে চেয়েছেন।

 

 

মন্তব্য