kalerkantho

টেলিভিশন না পেয়ে স্ত্রীর গায়ে আগুন

পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি   

২৩ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



টেলিভিশন না পেয়ে স্ত্রীর গায়ে আগুন

দাবি করা টাকা ও টেলিভিশন না পেয়ে গৃহবধূ আরিফা খাতুনকে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে স্বামী জাহিদ হাসান জনির বিরুদ্ধে। শুধু তা-ই নয়, তাঁর বিরুদ্ধে স্ত্রীকে চিকিৎসা নিতে বাধা দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত বৃহস্পতিবার রাতে জয়পুরহাটের পাঁচবিবির গণেশপুর গ্রামের হাসপাতালপাড়ায়।

খবর পেয়ে পাঁচবিবি পৌরসভার মেয়র হাবিবুর রহমান হাবিব গতকাল শুক্রবার উন্নত চিকিৎসার জন্য আরিফাকে তাঁর বাবার বাড়ি থেকে অ্যাম্বুল্যান্সে করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠান। এর আগে তাঁকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাত্র এক বছর আগে পাঁচবিবি উপজেলার সরকারপাড়া গ্রামের ফেরদৌস হোসেনের বেকার ছেলে জনির সঙ্গে পৌর শহরের পোস্ট অফিসপাড়ার ভ্যানচালক কামাল হোসেনের মেয়ে আরিফার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই টাকার জন্য স্ত্রীকে নির্যাতন করতেন জনি। এ পর্যন্ত মেয়ের জামাইকে এক লাখ ২০ হাজার টাকা দিয়েছেন বলে দাবি কামালের। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার রাতে আরিফাকে তাঁর বাবার বাড়ি থেকে টাকা ও রঙিন টেলিভিশন এনে দিতে বলেন জনি। কিন্তু আরিফা এতে অস্বীকৃতি জানান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে জনি বালিশচাপা দিয়ে ও গলা টিপে স্ত্রীকে হত্যার চেষ্টা চালান। একপর্যায়ে স্ত্রীর মুখ চেপে ধরে শরীরে লাইটার দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন। এতে তাঁর বুক থেকে হাঁটু পর্যন্ত পুড়ে যায়। চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলেও জনির বাধার মুখে তারা আরিফাকে উদ্ধার করতে পারেনি। এমনকি তাকে ২০ গজ দূরে থাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও নিয়ে যেতে পারেনি।

এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন পাঁচবিবি থানার ওসি বজলার রহমান।

 

মন্তব্য