kalerkantho

৫৯ শতাংশ জমি আসলে কার

শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি   

১৬ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বগুড়ার শাজাহানপুরে ৫৯ শতাংশ জমিতে টিনশেড ঘর তুলে ফোরকানিয়া মাদরাসা নামের একটি প্রতিষ্ঠান চলছে অনেক বছর ধরে। সেই জমিটি হঠাৎ করে গত বৃহস্পতিবার ভোরে মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ নামের সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দখলে নেয় কিছুু প্রভাবশালী ব্যক্তি। খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইওএনও) মোছা. ফুয়ারা খাতুন এবং সহকারী  কমিশনার (ভূমি) কানিজ ফাতেমা লিজা ওই দিন রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়ে দখলমুক্ত করেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফুয়ারা খাতুন জানান, অবৈধভাবে সরকারি জমি দখল করে নেওয়ায় তা দখলমুক্ত করা হয়েছে। দখলের কাজে ব্যবহৃত টিন, বাঁশ ও সাইনবোর্ড জব্দ করা হয়েছে। ওই স্থানে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।

এদিকে ওই জমি সাজাপুর দারিকামারিপাড়া ফোরকানিয়া মাদরাসার দাবি করে মাদরাসা ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সাবেক ইউপি সদস্য এনামুল হক বলেন, ‘১৯৮০ সালে আবেদুর রহমান টুকু নামের এক লোক সাজাপুর মৌজার ওই ৫৯ শতাংশ জমি মাদরাসার নামে দানপত্র দলিল করে দেন। তখন থেকেই মাদরাসার কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। তবে ভুলে সরকারের নামে ‘ক’ তফসিলে ৩০ এবং ‘খ’ তফসিলে ২৯ শতাংশ জমি রেকর্ড হয়ে গেলে বগুড়া যু্গ্ম জজ আদালত-১-এ মামলা করা হয়। আদালতে মামলার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোরে

এক ঘণ্টার মধ্যে পুরো জমি টিন দিয়ে ঘিরে মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ নামের সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দখল করে নেওয়া হয়। এ সময় মাদরাসা ও ইসলামী ফাউন্ডেশনের মসজিদভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রমের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীকে বের করে দিয়ে মাদরাসায় তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।’

মন্তব্য