kalerkantho


রাতের আঁধারে ‘গায়েব’ যাত্রী ছাউনি

রাজবাড়ী প্রতিনিধি   

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



রাতের আঁধারে ‘গায়েব’ যাত্রী ছাউনি

কয়েক লাখ টাকা ব্যয়ে ১৯৯৪ সালে রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া সড়কের পাশে কালুখালী উপজেলা সদরের চাঁদপুর বাসস্ট্যান্ডে যাত্রী ছাউনিটি নির্মাণ করে রাজবাড়ী জেলা পরিষদ। অথচ এ যাত্রী ছাউনিটি রাতের আঁধারে গুঁড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। ছবি : কালের কণ্ঠ

যাত্রীদের সুবিধার্থে ১৯৯৪ সালে কয়েক লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া সড়কের পাশে কালুখালী উপজেলা সদরের চাঁদপুর বাসস্ট্যান্ডে ছাউনি নির্মাণ করেছিল জেলা পরিষদ। গত বুধবার রাতে কে বা কারা ছাউনিটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ। একই সঙ্গে ছাউনির ইট ও রড গায়েব করে ফেলা হয়েছে।

খবর পেয়ে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফকির আব্দুল জব্বার, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী সাইফুল ইসলাম ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুন নাহার গত বৃহস্পতিবার বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ইউএনও জানিয়েছেন, তদন্ত কমিটি গঠন করে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মদাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কালাম মৃধা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে একুশে ফেব্রুয়ারির প্রভাতফেরিতে যাওয়ার পথে দেখতে পান যাত্রী ছাউনিটি নেই।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী সাইফুল জানান, ছাউনিটির পেছনে চাঁদপুর গ্রামের আফান সেখের ছেলে আদেল সেখ ও আজাই সেখের জমি ছিল। গত তিন মাস আগে তাঁরা জমিটি বিক্রি করে দেন। ধারণা করা হচ্ছে, জমিটির ক্রেতা জোর করে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নিয়োজিত ঠিকাদারের ভেকুচালককে দিয়ে ছাউনিটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে।

অন্যদিকে কালুখালী থানার ওসি এস এম আবু ফরহাদ জানান, সড়ক বিভাগ রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া সড়ক সম্প্রসারণের কাজ করছে। স্থানীয়রা ভেবেছে, সড়ক বিভাগের নিযুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন যাত্রী ছাউনিটি ভেঙে ফেলেছে।

তবে জেলা সওজ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সাদ্দাম হোসেন জানান, যাত্রী ছাউনি ভাঙার কোনো নির্দেশনা তাঁরা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দেননি। জেলা প্রশাসক মো. শওকত আলী বলেন, ‘রাতের আঁধারে যাত্রী ছাউনির মতো জনগুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়াটা কোনো সভ্য মানুষের দ্বারা সম্ভব নয়। অপরাধী যত শক্তিশালীই হোক না কেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

 

 



মন্তব্য