kalerkantho


‘আমারে এহান টেহার কাট কইরা দেও’

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি   

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



‘আমারে এহান টেহার কাট কইরা দেও’

ময়ূরী বেগম

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে লক্ষ্মীন্দর ইউনিয়নের মনতলা গ্রাম। এ গ্রামেই থাকেন ময়ূরী বেগম। পরিবারের তথ্য মতে, তাঁর বয়স ১১০ বছর। বয়সের ভারে নুইয়ে পড়েছেন; ঠিকমতো কানে শোনেন না, দেখতে পান না বাঁ চোখে। এ বয়সেও বয়স্ক বা বিধবা ভাতার কোনোটিই জোটেনি তাঁর কপালে।

১৬ বছর আগে স্বামী আজমত আলীকে হারিয়েছেন ময়ূরী। তাঁর দুই ছেলে হামিদ ও হযরত আলী। হামিদ ঢাকায় গার্মেন্টে কাজ করেন। আর হযরত বর্গা চাষি, তাঁর স্ত্রী অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করেন। অভাব-অনটনের কারণে দুই ছেলের কেউই ময়ূরীর দেখভাল করেন না। তবে দুই নাতি রমজান ও মজিবুর তাঁর খোঁজখবর রাখেন।

এ প্রতিবেদককে অস্পষ্ট স্বরে ময়ূরী বলেন, ‘আমারে এহান টেহার কাট কইরা দেও না বাবা।’  উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সানজিদা সুলতানা বলেন, ‘শতবর্ষী কোনো বিধবার ভাতার তালিকা থেকে বাদ পড়া খুবই দুঃখজনক। অবশ্যই তাঁকে ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।’



মন্তব্য