kalerkantho


শুকনোর দিনেও কাদাপানি

রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি   

২০ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



শুকনোর দিনেও কাদাপানি

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলা সদরের বাহেরচর হাট শুকনোর দিনেও কাদাপানি ও ময়লা-আবর্জনায় একাকার হয়ে থাকে। ছবি : কালের কণ্ঠ

কাদাপানিতে নাকাল সড়ক। ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধে দুর্বিষহ জনজীবন। দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার অবস্থা। পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলা সদরের বাহেরচর হাট-বাজারের এমন অব্যবস্থাপনা। এতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কিন্তু ইজারাদার নিয়মিত খাজনা আদায় করলেও ক্রেতা-বিক্রেতাদের সেবা দিচ্ছে না।

সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলা সদরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ‘বাহেরচর’। সেখানে সোম ও বৃহস্পতিবার দুই দিন হাট বসে। কিন্তু অব্যবস্থাপনার কারণে হাটের অলিগলি ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। দুর্গন্ধে দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার অবস্থা! এ ছাড়া সবজিপট্টি থেকে মাছপট্টিসহ সর্বত্র কাদাপানিতে একাকার।

উপজেলা সদরের রংধনু এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী কামরুল হাসান বলেন, ‘বৃষ্টি-বর্ষায় বাহেরচর চৌরাস্তা থেকে পূর্ব দিকে থানা পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সড়কে কাদাপানি জমলে ব্যবসায়ীদের বেচাকেনা মন্দা হয়। এই সড়কে তখন ক্রেতা কম হয়। ব্যবসায়ীদের বেচাকেনাও কম হয়।’

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত পহেলা বৈশাখ থেকে আগামী ৩০ চৈত্র পর্যন্ত এক বছরের জন্য বাহেরচর হাট-বাজার ১১ লাখ ৪৫ হাজার টাকায় ইজারা দেওয়া হয়েছে। অথচ ইজারার শর্ত মতে, দরপত্রের উদ্ধৃত মূল্যের ৩০ শতাংশ অর্থ জামানত হিসেবে জমা দিতে হবে। এর মধ্যে ৫ শতাংশ অর্থ জামানত হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে। যদি ইজারাদার নিয়মিত হাট-বাজার পরিষ্কার না করে তাহলে ওই অর্থ দিয়ে তা মেটানো হবে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সোহাগ হাওলাদার বলেন, ‘ইতিমধ্যে হাট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে ইজারাদারকে বলা হয়েছে।’ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘বাহেরচর বাজারের সড়কটি সংস্কারের বিষয়ে এলজিইডিকে অবহিত করা হয়েছে। আশা করি, খুব শিগগিরই সড়কটি সংস্কার করা হবে। এ ছাড়া হাটের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের পাশাপাশি পানি নিষ্কাশনের বিষয়েও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’



মন্তব্য