kalerkantho


ভাঙ্গুড়া

অবৈধ স্থাপনায় সড়ক সম্প্র্রসারণ কাজ বাধাগ্রস্ত

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি   

১৬ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



পাবনার ভাঙ্গুড়া পৌর শহরের শরত্নগর বাজার এলাকায় ৩০০ মিটার সড়কের দুই পাশে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা প্রায় ৩০টি দোকানঘর থাকায় সড়ক সম্প্রসারণকাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। পৌর কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) পক্ষ থেকে এসব দোকানঘরের সামনের অংশ দ্রুত ভেঙে ফেলতে মৌখিক নির্দেশনা দিলেও তাতে কর্ণপাত করছেন না মালিকরা। এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এলজিইডির কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পৌর শহরে শরত্নগর বাজারের প্রধান সড়কে যানজট নিরসনে বড়ালব্রিজ রেলস্টেশন থেকে ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের কলকতি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত সাড়ে তিন কিলোমিটার সড়ক ১০ ফুট থেকে ১৮ ফুট করে সম্প্রসারণকাজ শুরু হয়েছে। গত জুন মাসে সোয়া দুই কোটি টাকা ব্যয়ে সড়ক সম্প্রসারণকাজ শুরু হয়। কিন্তু বড়ালব্রিজ রেলস্টেশন থেকে অগ্রণী ব্যাংক পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে দোকানঘর থাকায় ওই অংশে সড়ক সম্প্রসারণকাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের কলকতি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শরত্নগর বাজারের অগ্রণী ব্যাংক পর্যন্ত পুরাতন সড়কের দুই পাশে তিন ফুট প্রশস্ত ও দেড় ফুট গভীর গর্ত করে ইটের খোয়া ও বালু ফেলে সম্প্রসারণকাজ চলছে। কিন্তু অগ্রণী ব্যাংক থেকে বড়ালব্রিজ রেলস্টেশন পর্যন্ত প্রায় ৩০০ মিটার সড়কের দুই পাশে দোকানঘর থাকায় উভয় পাশে তিন ফুট করে সম্প্রসারণ করা যাচ্ছে না। তবে কোনো কোনো দোকানঘরের সিঁড়ি ভেঙে এক থেকে দেড় ফুট পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হয়েছে।

সড়কে চলাচলকারী মো. মোশাররফ বলেন, বড়ালব্রিজ রেলস্টেশন থেকে ভাঙ্গুড়া কলেজ গেট পর্যন্ত সব সময় যানজট লেগে থাকে। তাই সড়কের দুই পাশের দোকানঘর উচ্ছেদ করে সড়ক সম্প্রসারণ করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

সড়কের পাশে গড়ে তোলা সিয়াম স্টোরের মালিক এম ডি রাসেল বলেন, ‘আমাদের দোকানঘরের আকার খুব ছোট। তাই এর সামনের অংশ ভেঙে ফেললে ঘর আর ব্যবহারের উপযোগী থাকবে না। এমন হলে আমাদের পথে বসতে হবে।’

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) ভাঙ্গুড়া উপজেলা প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ বলেন, সড়ক সম্প্রসারণকাজে বাধা সৃষ্টি করা দোকানপাটগুলো ভেঙে ফেলা হবে। এতে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কিছু করার নেই।

এ প্রসঙ্গে পৌর মেয়র গোলাম হাসনাইন রাসেল বলেন, যানজট নিরসনে সিডিউল অনুযায়ী সড়ক সম্প্রসারণ করতে দুই পাশে যতটুকু জায়গা দরকার ততটুকু নেওয়া হবে।

 



মন্তব্য