kalerkantho


নাঙ্গলকোটে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে সেতু

নাঙ্গলকোট (কুমিল্লা) প্রতিনিধি   

২৩ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০



কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের ঢালুয়া ইউনিয়নে ডাকাতিয়া নদীর ওপর নির্মিত গোরকমুড়া-শাকতলা সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এলাকাবাসীর উদ্যোগে সেতুটি নির্মিত হয়েছিল। এ সেতু দিয়ে নাঙ্গলকোট ও চৌদ্দগ্রামের অর্ধলক্ষাধিক মানুষসহ বিভিন্ন হালকা যানবাহন চলাচল করে। যেকোনো মুহূর্তে দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাঙ্গলকোটের ঢালুয়া ইউনিয়নের গোরকমুড়া, মোগরা, হাসানপুর, মৌকরা ইউনিয়নের আলিয়ারা, চারিতুপা, মোড়েশ্বর, পৌছির, পরকরা, মৌকরা ও পাশের চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের শাকতলা, পন্নারা, কাঘাইশ, চিলপাড়া এবং ধোড়করা গ্রামের অর্ধলক্ষাধিক মানুষ স্বাধীনতার পর থেকে ডাকাতিয়া নদীতে নৌকা দিয়ে যাতায়াত করত। ১৯৮৫ সালে গোরকমুড়া গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এলাকাবাসীর সহায়তায় প্রথমে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেন। পরে সেখানে সেতু নির্মাণের জন্য এলাকাবাসীর কাছ থেকে চাঁদা তোলা হয়। এ ছাড়া চৌদ্দগ্রামের উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুস সোবহান হাছানের সৌদিপ্রবাসী বন্ধু আবদুল্লা আল গোপালী পাঁচ লাখ টাকা অনুদান দেন। পরে গোরকমুড়ার সেলিম চৌধুরী, গোলাম রহমান চৌধুরী, জাফর আহম্মদ চৌধুরী এবং চৌদ্দগ্রামের পোলক গ্রামের হাছানুজ্জামানসহ এলাকাবাসী সেতুটি নির্মাণে এগিয়ে আসেন।

১৯৮৫ সালে সেতুর নির্মাণকাজ শুরু করা হয়। ৩৫০ ফুট দৈর্ঘ্য এবং ৯ ফুট প্রস্থের সেতুর পূর্ব অংশে প্রথমে কাজ শুরু হয়। ৪৮টি আরসিসি পিলারের ওপর পাঁচ ইঞ্চি স্ল্যাব দিয়ে রেলিংবিহীন সেতুটির অর্ধেক অংশের নির্মাণকাজ করা হয়। অবশিষ্ট অংশে আরসিসি পিলারের ওপর কাঠ দিয়ে সেতু নির্মাণ করে এলাকাবাসী যাতায়াত শুরু করে। ১০ বছর আগে স্ল্যাব দিয়ে অবশিষ্ট সেতুর নির্মাণকাজ শেষ করা হয়। সেতুটি নির্মাণে প্রায় ৪০ লাখ টাকা ব্যয় হয়। নাঙ্গলকোট এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী জাবেদ হোসেন বলেন, সেতুটি নির্মাণে জরিপ প্রক্রিয়া, মাটি পরীক্ষা এবং ডিজাইন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।



মন্তব্য