kalerkantho


৩ বিদ্যালয়ে দুজন করে প্রধান শিক্ষক

বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি   

২২ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০



বেতাগীতে তিনটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুজন করে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। এ নিয়ে মামলা পর্যন্ত গড়িয়েছে। হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর নিয়ে যোগদানের শুরু থেকে তাঁদের মধ্যে বিরোধ চলছে।

জানা গেছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় এ উপজেলার ৪৬ জন সহকারী শিক্ষককে গত ২৮ জুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। গত ৪ জুলাই বরগুনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস শিক্ষকদের পছন্দের বিদ্যালয়ে তাঁদের পোস্টিং দেয়। এর মধ্যে বেতাগী বালিকা সংলগ্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সহকারী শিক্ষক মোসা. দিল ফিরুজাকে নবগঠিত কদমতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (কমিউনিটি), একই প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক জ্যোতিকা রানীকে নবগঠিত কিসমত ভোলানাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (কমিউনিটি) এবং বাসন্ডা আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে মোসা. শাহানাজ বেগমকে উত্তর ঝোপখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে (কমিউনিটি) প্রধান শিক্ষকের পদে পদায়ন করা হয়। কিন্তু সেখানে আগে থেকে নিয়োগকৃত প্রধান শিক্ষক থাকায় ওই সব প্রতিষ্ঠানে দুই মাস ১০ দিন ধরে দুজন করে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। এতে প্রতিষ্ঠানগুলোতে দ্বন্দ্ব ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়েছে। বেতাগী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার কোনো হাত নেই। আমি শুধু শূন্যপদের তালিকা জেলায় পাঠিয়েছি। জেলা অফিস আইন মেনেই ওই শিক্ষকদের পদায়ন করেছে। তা ছাড়া এ ব্যাপারে আমি অধিদপ্তরের বা আদালতের আর কোনো নির্দেশনা পাইনি।’ বরগুনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এম এম মিজানুর রহমান বলেন, ‘নীতিমালা অনুসারেই তাঁদের পদায়ন দেওয়া হয়েছে। একই প্রতিষ্ঠানে দুজন প্রধান শিক্ষক থাকার বিষয়টি জানা নেই। এ ধরনের হয়ে থাকলে বিধান অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

 



মন্তব্য