kalerkantho


১১ চাঁদাবাজকে ধরতে মাঠে পুলিশ

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি   

২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



জাতীয় শ্রমিক লীগের শ্রমিক উন্নয়ন ও কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক কাউসার আহাম্মেদ পলাশের নেতৃত্বে ফতুল্লার একটি সড়ক থেকে বছরে ৫৭ লাখ টাকা চাঁদাবাজির তথ্য দিয়ে ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মালিক ও শ্রমিকরা। বুধবার ফতুল্লা মডেল থানায় এ অভিযোগ করার পর পুলিশের একটি টিম চাঁদাবাজদের ধরতে মাঠে নেমেছে।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি শাহ মোহাম্মদ মঞ্জুর কাদের বলেন, কুতুবপুর ইউনিয়নের পাগলা থেকে জালকুড়ি এলাকার সড়কে শ্রমিক লীগ নেতা পলাশের অনুসারীরা ছয় বছর ধরে চাঁদাবাজি করে আসছে। প্রতিবছর লাখ লাখ টাকা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা থেকে চাঁদাবাজি করা হয়। এ নিয়ে অটোরিকশার মালিক ও শ্রমিকরা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে। এতে তাত্ক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ১১ চাঁদাবাজকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশের একটি টিমকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর আগেও পলাশের অনুসারীরা প্রকাশ্যে চাঁদাবাজির সময় পঞ্চবটি মোড় থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এরপর দ্রুত বিচার আইনে পুলিশ মামলা করে ১০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয়। ওই চাঁদাবাজরাই জামিনে এসে ফের চাঁদাবাজি শুরু করেছে।

মালিক ও শ্রমিকদের পক্ষে শফিকুল ইসলামের স্বাক্ষরিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, কুতুবপুর এলাকায় পাগলা থেকে জালকুড়ি সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা কমিটির আহ্বায়ক ও জাতীয় শ্রমিক লীগের শ্রমিক উন্নয়ন ও কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক কাউসার আহাম্মেদ পলাশের অনুগামী আজিজুল হক, মজিবর, সালু, কাওসার, মোশারফ হোসেন, ইমরান, শরীফ, সাইদুল সোহাগ, ফারুকসহ একটি গ্রুপ চাঁদাবাজি করে আসছে। এ বিষয়ে কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে পুলিশ দিয়ে গ্রেপ্তার ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়।

 

 

 

 



মন্তব্য