kalerkantho


প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে রাস্তায় নামলেন গাজীপুরের মেয়র

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর   

২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে রাস্তায় নামলেন গাজীপুরের মেয়র

গাজীপুর সিটির মেয়র জাহাঙ্গীর আলম গতকাল পরিচ্ছন্ন নগরের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে চান্দনা চৌরাস্তায় অভিযানে নামেন। ছবি : কালের কণ্ঠ

নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বিজয়ী হলে নগরীকে ‘ক্লিন ও গ্রিন’ সিটিতে পরিণত করবেন। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে রাস্তায় নেমেছেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র জাহাঙ্গীর আলম।

তিনি বুধবার সকাল সাড়ে ৮টায় সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের নিয়ে মহানগরীর ব্যস্ততম চান্দনা চৌরাস্তায় হাজির হন। পরে সেখানে আসেন গাজীপুর মেট্রোপলিটনের কমিশনার ওয়াই এম বেলালুর রহমান এবং র‌্যাব ও পুলিশের কর্মকর্তারা।

তাঁরা সবাই যানজটমুক্ত পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তোলার জন্য সিটি করপোরেশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতার কথা জানান।

এ সময় মেয়র জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমরা যেকোনো মূল্যে মহাসড়ক ও ফুটপাত দখলদারদের হাত থেকে মুক্ত করব। যদি দখলদাররা সরকারের ও সিটি করপোরেশনের নির্দেশ না মানে তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে দ্বিধা করব না। কোনো অবস্থায়ই আমরা আপস করব না। আমরা গাজীপুর সিটি করপোরেশনকে যানজটমুক্ত পরিচ্ছন্ন সবুজ নগরী হিসেবে গড়ে তুলব।’ তিনি দোকান ও মার্কেটের সামনে ময়লা আবর্জনা না ফেলতে এবং প্রতিষ্ঠানের সামনে হকারদের বসতে না দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘একটি পরিচ্ছন্ন নগরী গড়তে ব্যবসায়ীসহ সবার সহযোগিতার প্রয়োজন। আমি আশা করি আপনাদের পাশে পাব।’

মেয়র বলেন, ‘প্রতিটি হকারের ব্যবসার জন্য আলাদা মার্কেট করে দেওয়া হবে। এ জন্য কোনো জামানত দিতে হবে না।’

অভিযানের প্রথম দিনে চান্দনা চৌরাস্তার আশপাশের মহাসড়কে ও ফুটপাতে গড়ে ওঠা অসংখ্য অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনা, তোরণ, বিলবোর্ড উচ্ছেদ করা হয়। সিটি করপোরেশনের শতাধিক পরিচ্ছন্নতাকর্মীর সহযোগিতায় রেকার ও বুলডোজার দিয়ে অবৈধ স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়। পরিষ্কার করা হয় রাস্তার পাশের ময়লা আবর্জনা ও ড্রেন। বন্ধ করা হয় রাস্তার পাশের অবৈধ পার্কিং। উচ্ছেদ অভিযানে মেট্রোপলিটন পুলিশের সঙ্গে র‌্যাবও অংশ নেয়। অভিযান শুরুর আগে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে মাইকিং করা হয়।

এ সময় অন্যদের মধ্যে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত সচিব ও প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 



মন্তব্য