kalerkantho


যাত্রী দুর্ভোগ চরমে

বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি   

৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



বরগুনার বেতাগী-পটুয়াখালী সড়কটি পুনঃসংস্কার (রিপেয়ারিং) করার পর বছর না ঘুরতেই খানাখন্দে ভরে গেছে। এদিকে গত ৬ থেকে ২০ আগস্ট পর্যন্ত ভারি বর্ষণে সড়কের গর্তগুলো কাদাপানিতে একাকার হয়ে যায়। এতে জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করে।

বেতাগী বাসস্ট্যান্ড থেকে পায়রাগঞ্জ ফেরিঘাট পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার রাস্তায় ছোট-বড় শতাধিক গর্ত রয়েছে। এ পথে চলতে গিয়ে গাড়িচালকসহ বিড়ম্বনায় পড়ছে স্কুলগামী শিক্ষার্থী ও সাধারণ যাত্রীরা। ঢাকার কর্মস্থলে ফিরতি যাত্রী সোহেল আহমেদ বলেন, ‘এ সড়ক দিয়ে এবার ঈদে আসা-যাওয়ায় যে কষ্ট করলাম তা বলে বোঝানো যাবে না।’

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ২০১৭ সালে সড়কটি মেরামতে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর প্রায় ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়। বরিশালের খান ইন্ডাস্ট্রিয়াল নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেরামতকাজের দায়িত্ব পায়। ঠিকাদার ও প্রকৌশলী নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে এ মেরামতকাজ করেছেন বলে অনেকে অভিযোগ করে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাহফুজ খান বলেন, ‘পটুয়াখালী-বেতাগী সড়কের ৫০ শতাংশ কাজ মির্জাগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আবু বকর সিদ্দিককে এবং বেইলি সেতু ও বাজারসংলগ্ন বাকি ৫০ শতাংশ কাজের জন্য বেতাগী পৌর মেয়র এ বি এম গোলাম কবিরকে সাব-ঠিকাদার হিসেবে লিজ দেওয়া হয়েছিল। তাঁরা এ সড়কের মেরামতকাজ বাস্তবায়ন করেছেন।’

সাব-ঠিকাদার মির্জাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খান মো. আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ‘অতিরিক্ত বর্ষণে সড়কটি বেহাল হয়েছে। আমি নিজে সড়কটি পর্যবেক্ষণ করেছি। প্রধান ঠিকাদারের সঙ্গে আলাপ করে সড়ক সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বেতাগী পৌর মেয়র এ বি এম গোলাম কবির বলেন, ‘আমি সড়কের যে অংশে কাজ করেছি তা এখনো অক্ষত আছে। তবে একদিকে অধিক বৃষ্টি, অন্যদিকে রাস্তার পাশে মাটি না থাকায় সড়কের অনেক স্থানে গর্ত হয়েছে। ইতিমধ্যে পৌরসভার অর্থায়নে বড় গর্তগুলো ভরাট করে দিয়েছি।’



মন্তব্য