kalerkantho


কলমাকান্দায় বাঁশের সাঁকোতে ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার

হাওরাঞ্চল (নেত্রকোনা-সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি   

৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের কান্তপুর নামক খালের ওপর সেতু না থাকায় ওই ইউনিয়নের ১২টি গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ নিজেদের চাঁদায় নির্মিত বাঁশের একটি সাঁকো দিয়ে চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।

এলাকাবাসী জানায়, গত প্রায় এক যুগ ধরে এলাকাবাসীর চাঁদায় নির্মিত বাঁশের সাঁকো দিয়ে ওই খাল পারাপার হচ্ছে পথচারীরা। প্রতিদিন এ পথে উপজেলার কয়রা, কান্তপুর, ফুরুডোল, শিবনগর, হাটশিরা শিবনগর, কুট্টাকান্দাসহ ১২টি গ্রামের মানুষ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। সাঁকোটির পাশেই রয়েছে আব্দুল জব্বার আনছারী মেমোরিয়াল কলেজ, বরদল উচ্চ বিদ্যালয়, বড়দল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বরদল বাজার। আর এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ এলাকার মানুষদের প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়েই ওই সাঁকো পার হতে হয়। এ ছাড়া এলাকার কৃষকরা ধান-চাল, সবজিসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য মাথায় নিয়ে ওই সাঁকো দিয়েই বাজারে যায়। এতে প্রায়ই ঘটে দুর্ঘটনা। উপজেলার কান্তপুর গ্রামের বৃদ্ধ কৃষক মো. আরশাদ মাহমুদ বলেন, ‘পাঁচ-ছয় মাস আগে বাজারে যাওয়ার সময় ওই সাঁকো পার হতে গিয়ে নিচে পড়ে যাই। এরপর থেকে ওই সাঁকো পার হতেই ভয় লাগে।’ ওই ইউনিয়নের শিবনগর গ্রামের কৃষক সাইদুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘নির্বাচন এলেই এলাকার জনপ্রতিনিধিরা এখানে সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু ভোটে পাস করার পর প্রতিশ্রুতির কথা তাঁদের আর মনে থাকে না।’

গত সোমবার বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দুর্বল বাঁশের খুঁটির মধ্যে সারিবদ্ধ পাঁচটি বাঁশ ফেলা আছে। ওপরে এক পাশের একটি রেলিংয়ে ধরে প্রায় ১০০ ফুট দৈর্ঘ্যের ওই সেতু দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ আসা-যাওয়া করছে। লোকজন যখন সাঁকো পার হয় তখন সেটি দুলতে থাকে। স্থানীয় শিক্ষার্থী রবিউল ইসলাম ও মো. রুবেল মিয়া বলেন, ‘নড়বড়ে সাঁকো পার হয়ে বিদ্যালয়ে যাওয়া-আসার সময় প্রায়ই কোনো না কোনো শিক্ষার্থী পানিতে পড়ে যায়।



মন্তব্য