kalerkantho


কালাইয়ে গণসংযোগে আওয়ামী লীগের একাংশের হামলা

জয়পুরহাট প্রতিনিধি   

১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার পুনট বাজারে সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগ করার সময় হামলার অভিযোগ করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম সোলায়মান আলী। এ ঘটনায় দুজন আহত হন। বৃহস্পতিবার বিকেলে পুনট ইউপি ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন কালাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন ও সমর্থক মুকুল হোসেন। আহতদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম সোলায়মান আলী বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে নেতাকর্মীদের নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে আগামী সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন লাভে পুনট হাটে গণসংযোগ করতে যান। এ সময় পুনট ইউপি ভবনের সামনে তাঁদের মোটরসাইকেল বহরে হামলা চালানো হয়। তাঁর দাবি, কালাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিনফুজুর রহমানের ইন্ধনে আওয়ামী লীগের একাংশ এ হামলা চালিয়েছে।

এ সময় হামলাকারীরা চারটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। তা ছাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন ও সমর্থক মুকুল হোসেনকে মারধরে আহত করে। আহতদের প্রথমে কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

তবে কালাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিনফুজুর রহমান মিলন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বৃহস্পতিবার ছিল পুনটের সাপ্তাহিক হাটের দিন। ওই দিন বিকেলে সাধারণ সম্পাদক সোলায়মান আলী, দেলোয়ার হোসেনসহ তাঁদের লোকজন মোটরসাইকেলের বহর নিয়ে হাটে গিয়ে জয়পুরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপনের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করে বক্তব্য দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উত্তেজিত জনতা তাদের ধাওয়া দেয়। এ ঘটনার সঙ্গে তিনি কিংবা তাঁর লোকজন জড়িত নয়।

দলীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, জয়পুরহাট জেলা আওয়ামী লীগে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্বের কারণে নেতাকর্মীরা দ্বিধাবিভক্ত হয়ে আলাদাভাবে দলের বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে। নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে দলীয় দ্বন্দ্ব ক্রমেই প্রকট হচ্ছে।



মন্তব্য