kalerkantho


শোকের দিন

‘বঙ্গবন্ধু : স্মৃতিতে অবিনশ্বর’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

১৫ আগস্ট, ২০১৮ ০০:০০



‘বঙ্গবন্ধু : স্মৃতিতে অবিনশ্বর’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাত্বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনে ‘বঙ্গবন্ধু : স্মৃতিতে অবিনশ্বর’ শীর্ষক আলোচনাসভা গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় লেখক-গবেষক অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু বাঙালির হাজার বছরের স্বাধীনতার স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করেছেন। এ কারণে তিনি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালির সম্মান অর্জন করেছেন।’

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান প্রধান আলোচক হিসেবে তাঁর ভাষণে বলেন, ‘অসাধারণ প্রতিভা ও বিশাল ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন বলেই বঙ্গবন্ধু গণমানুষের কালোত্তীর্ণ নেতা। তিনি রাজনীতি ও সরকার পরিচালনার পাশাপাশি পাঁচটি গ্রন্থও রচনা করেছেন। ইতিমধ্যে তাঁর তিনটি গ্রন্থ মুদ্রিত হয়েছে। অবশিষ্ট দুটি গ্রন্থ পাণ্ডুলিপি আকারে আছে। শিগগিরই তা ছাপার কাজ শুরু হবে।’

অনুষ্ঠানে সভাপতির ভাষণে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু তাঁর কীর্তির জন্যই বাঙালির মনে সাহসের প্রতীক হয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকের দল বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। ঘাতকের হত্যা নিশানা আগস্টে বারবার ঘুরে বেড়ায়। বঙ্গবন্ধুর বেঁচে যাওয়া দুই কন্যার একজন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এই আগস্টেই হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। ঘাতকের নিশানা থেকে তাঁকে রক্ষার জন্য সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।’

জাবির ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ আলোচক হিসেবে আরো বক্তব্য দেন রাজনীতিবিদ, গবেষক, লেখক ও কলামিস্ট মোনায়েম সরকার, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমির হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক শেখ মনজুরুল হক। স্বাগত বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক ফাউন্ডেশনের কর্ণধার অ্যাডভোকেট আফিয়া বেগম। অনুষ্ঠান শুরুর আগে শামসুল হক ফাউন্ডেশন আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর স্থিরচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়।



মন্তব্য