kalerkantho


স্বপনকে ৭ টুকরো করে হত্যার দায় স্বীকার পিন্টুর

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি   

২৩ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০



কাপড় ব্যবসায়ী স্বপন কুমার সাহাকে সাত টুকরো করে হত্যার পর শীতলক্ষ্যায় লাশ ফেলে দেওয়ার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছে বন্ধুরূপী ঘাতক পিন্টু। গতকাল রবিবার ২২ জুলাই বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল মহসীনের আদালতে পিন্টুর ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। এর আগে গত ১৯ জুলাই স্বপন হত্যা মামলার আসামি পিন্টুর বান্ধবী রত্না রাণী কর্মকার ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে স্বপন হত্যার ঘটনা তুলে ধরে। একই দিন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় আবদুল্লাহ আল মোল্লা মামুনও।

প্রবীর ও স্বপন হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির এসআই মফিজুল ইসলাম জানান, গত ১৪ জুলাই স্বর্ণ ব্যবসায়ী প্রবীর চন্দ্র ঘোষকে সাত টুকরো করে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিল গ্রেপ্তারকৃত ঘাতক বন্ধু পিন্টু দেবনাথ। রবিবার অন্য বন্ধু কাপড় ব্যবসায়ী স্বপন কুমার সাহাকে সাত টুকরো করে হত্যার পর শীতলক্ষ্যায় লাশ ফেলে দেওয়ার বিষয়ে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছে পিন্টু। নিহত কাপড় ব্যবসায়ী স্বপন কুমার সাহা নারায়ণগঞ্জ শহরের নিতাইগঞ্জ কাচারিগলি এলাকার মৃত সোনাতন চন্দ্র সাহার ছেলে।

আদালতে পিন্টু জানিয়েছে, ২০১৬ সালের ২৭ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ শহরের মাসদাইর বাজার কাজীবাড়ির প্রবাসী আজহারুল ইসলামের চারতলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় হত্যার আগে যৌনমিলনের প্রলোভন দেখিয়ে পিন্টু তার প্রেমিকা রত্না রানীকে দিয়ে স্বপনকে ডেকে নেয় মাসদাইরের ওই ফ্ল্যাটে।  সেখানে রত্না রানী আগে থেকে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে রাখা ফ্রুটিকা জুস স্বপনকে পান করালে সে ঘুমিয়ে পড়ে। এ অবস্থায় পিন্টু তার মাথায় শিল-পাটা দিয়ে আঘাত করে। পরে বাথরুমে নিয়ে বঁটি দিয়ে লাশ গুমের জন্য সাত টুকরো করে বাজারের ব্যাগে ভরে শীতলক্ষ্যা নদীতে ফেলে দেয় পিন্টু দেবনাথ।  লাশের বিষয়টি যাতে কেউ বুঝতে না পারে সে জন্য ব্যাগের ওপরের দিকে সবজিবোঝাই করে নিয়েছিল পিন্টু দেবনাথ।



মন্তব্য