kalerkantho


তারাকান্দা উপজেলা পরিষদের নির্বাচন

বিদ্রোহী প্রার্থীতে বিপাকে বিএনপি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ   

২৩ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০



আগামী ২৫ জুলাই ময়মনসিংহের তারাকন্দা উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনকে ঘিরে ভোটারদের মাঝে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মোট চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আর বিএনপি দলের বাইরে আলোচনায় রয়েছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী। শেষ পর্যন্ত এ নির্বাচনে কে বিজয়ী হবেন তা স্পষ্ট নয়। তবে বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে অনেকটা বেকায়দায় রয়েছে বিএনপি।

জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফজলুল হক আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন। তিনি তারাকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক। বিএনপি থেকে প্রার্থী হয়েছেন বর্তমানের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নিলুফার ইয়াসমীন মনি। জাসদ থেকে প্রার্থী হয়েছেন উপজেলা জাসদের সভাপতি শহীদুল হক। এদিকে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা খান। তিনি আনারস প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় তিনি এরই মাঝে দল থেকে বহিষ্কার হয়েছেন।

ভোটারদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী ফজলুল হকের এলাকায় বেশ গ্রহণযোগ্যতা আছে। ভোটের মাঠেও তিনি আলোচিত। অন্যদিকে ভাইস চেয়ারম্যান পদে থাকায় বিএনপি প্রার্থী নিলুফার ইয়াসমীন মনিরও বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। তা ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেও আলোচনায় রয়েছেন সাবেক বিএনপি নেতা মাসুদ রানা খান। জানা গেছে, বিএনপির একটা অংশ প্রকাশ্যে মাসুদ রানার পক্ষে মাঠে নেমেছেন। ভোটাররা এ তিনজনকে নিয়েই ভোটের হিসাব-নিকাশ কষছেন।

আব্দুর রহমান নামের স্থানীয় এক ভোটার বলেন, লড়াইটা বেশ জমবে। তবে বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে বিএনপিকে অনেকটা বেগ পোহাতে হবে।

আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফজলুল হক বলেন, ‘সরকারের উন্নয়নে ভোটাররা সন্তুষ্ট। তাই ভোটারদের সমর্থন নিয়ে আমি আশাবাদী।’

বিএনপি প্রার্থী নিলুফার ইয়াসমীন মনি বলেন, ‘ভোটারদের কাছ থেকে বেশ সাড়া পাচ্ছি। আশা করি, বিজয়ী হব।’

বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মাসুদ রানা বলেন, ‘দলমত নির্বিশেষে সবাই আমার পক্ষে কাজ করছেন। আমি বিজয়ী হব বলে আশা করছি।’

উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১০ ইউনিয়নের মোট ভোটারের সংখ্যা দুই লাখ ১৬ হাজার ৯৩৬ জন। ৭২টি ভোটকেন্দ্রে ভোট অনুষ্ঠিত হবে।

 



মন্তব্য