kalerkantho


অর্থ আত্মসাৎ

রমেক হাসপাতালের সাবেক পরিচালকসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

রংপুর অফিস   

১৭ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০



রংপুর মেডিক্যাল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের সাবেক পরিচালক, চার চিকিৎসকসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। হাসপাতালের বিভিন্ন খাতে ক্রয় দেখিয়ে সাড়ে আট কোটি টাকা আত্মসাৎ ও দরপত্র ছাড়াই সাড়ে ৯ কোটি টাকার কার্যাদেশ দেওয়ার অভিযোগে মামলাটি করা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ঢাকা অফিসের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সিরাজুল হক গত শনিবার রংপুর কোতোয়ালি থানায় মামলাটি করেন। রংপুর দুদকের সহকারী পরিচালক আতিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আসামিরা হলেন রমেক হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ডা. আ স ম বরকত উল্লাহ, সহকারী পরিচালক (অর্থ ও ভাণ্ডার) ডা. শফিকুল ইসলাম, সাবেক সহকারী পরিচালক ডা. বিমল কুমার বর্মণ, সাবেক উপপরিচালক ডা. পরিতোষ কুমার দাস গুপ্ত, সাবেক উপপরিচালক ডা. জহিরুল হক, হাসপাতালের প্রধান মেডিসিন স্টোরের ইনচার্জ ফার্মাসিস্ট আনিছুর রহমান, ফার্মাসিস্ট মোকছেদুল হক, স্টুয়ার্ড আজিজুল ইসলাম ও আসাদুজ্জামান, রংপুরের ঠিকাদার মেসার্স ম্যানিলা মেডিসিনের স্বত্ব্বাধিকারী মনজুর আহমেদ, এম এইচ ফার্মার মালিক মোসাদ্দেক হোসেন, মেসার্স অভি ড্রাগসের মালিক জয়নাল আবেদীন এবং মেসার্স আলবিরা ফার্মেসির মালিক আলমগীর হোসেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালের জন্য ওষুধসহ বিভিন্ন খাতে আট কোটি ৬১ লাখ ১৭ হাজার ৭৩৯ টাকা আত্মসাৎ ও দরপত্র ছাড়াই ৯ কোটি ৫৩ লাখ ৬১ হাজার ৩৬ টাকার কার্যাদেশ দেওয়ার অভিযোগ আছে আসামিদের বিরুদ্ধে। তাঁরা পরস্পর যোগসাজশে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে রমেক হাসপাতালের এমএসআর (মেডিসিন, সার্জিক্যাল, রিঅ্যাজেন্ট) খাতে ইনজেকশন সেমিপাইম-১ ক্রয় দেখিয়ে পাঁচ কোটি ১০ লাখ ৪১ হাজার ৪০৬ টাকা ও পথ্য খাতে তিন কোটি ৫০ লাখ ৭৬ হাজার ৩৩২ টাকা আত্মসাৎ এবং দরপত্র ছাড়াই ৯ কোটি ৫৩ লাখ ৬১ হাজার ৩৬ টাকার কার্যাদেশ দিয়েছিলেন।

এ ব্যাপারে রংপুর দুদকের সহকারী পরিচালক আতিকুল বলেন, ‘অভিযোগটি ঢাকা থেকে কর্মকর্তারা তদন্ত করেছেন। সেই তদন্তের আলোকেই মামলাটি করা হয়েছে।’

অন্যদিকে রংপুর কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোক্তারুল আলম জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০ ও ১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

 



মন্তব্য