kalerkantho


মাদারীপুরে দিনদুপুরে ছিনতাই নওগাঁ ও হবিগঞ্জে ডাকাতি

প্রিয় দেশ ডেস্ক   

১৭ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০



মাদারীপুরে গতকাল সোমবার দুপুরে এক ব্যক্তির কাছ থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা ও ছয়টি মোবাইল ফোনসেট ছিনিয়ে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। পরে স্থানীয় লোকজন সন্দেহভাজন দুই ছিনতাইকারীকে ধরে

পুলিশে দিয়েছে। গত রবিবার রাতে নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় ব্যবসায়ীর ও হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে ঠিকাদারের বাড়িতে ডাকাতি হয়েছে। কালের কণ্ঠ’র প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর :

মাদারীপুর : স্থানীয় সূত্র জানায়, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের সদর উপজেলার মস্তফাপুর বাসস্ট্যান্ডে গতকাল দুপুর ২টার দিকে নাঈম টেলিকমের মালিক সোহেল মল্লিক খাবার খেতে যাচ্ছিলেন। তিনি দোকান বন্ধ করে বিকাশের ও ব্যাংক থেকে তোলা সাড়ে তিন লাখ টাকা, ছয়টি মোবাইল ফোনসেট ও দুটি ডিভাইস একটি ব্যাগে ভরে রাখেন। ব্যাগটি দোকানের পাশেই রেখে দোকান বন্ধ করছিলেন। তখন পাশের চায়ের দোকানে বসে থাকা ছিনতাইকারীরা এসে কৌশলে ব্যাগটি ছিনিয়ে নিয়ে চলে যায়। মাদারীপুর সদর থানার ওসি মো. কামরুল হাসান বলেন, ওই ঘটনায় যশোরের বেনাপোলের দিঘিয়র গ্রামের মো. শুকুর আলী গাজী ও ভরাদেবর গ্রামের মো. মনিরুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে।

নওগাঁ : ধামইরহাটের দক্ষিণ চকযদু (টিঅ্যান্ডটি) এলাকার ঢেউটিন ব্যবসায়ী মো. জাহির উদ্দিনের বাসায় রবিবার মধ্যরাতে ডাকাতি হয়। জাহির বলেন, ১০-১২ জনের মুখোশপরা ডাকাতদল জানালার গ্রিল খুলে ও পাল্লা ভেঙে ঘরে ঢোকে। এরপর ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে তাঁর ও ছেলে সোয়াইবের (১৪) হাত, পা ও চোখ বেঁধে টাকা ও সোনার গহনা বের করে দিতে বলে। বুকে ধারালো চাকু ধরে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। পরে ঘরের জিনিসপত্র তছনছ করে এক লাখ ৩৫ হাজার টাকা, তিন ভরি সোনার গয়না, ৯ ভরি রুপার গয়না ও মূল্যবান জিনিসপত্র লুটে নিয়ে যায়। নওগাঁর পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসেন, পত্নীতলা সার্কেল (ভারপ্রাপ্ত) জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মো. শামীউল হাসান, ধামইরহাট থানার ওসি মো. জাকিরুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ওসি জাকিরুল বলেন, পুলিশ রাতেই তল্লাশি চালিয়ে ডাকাতদলকে ধরতে চেষ্টা চালায়।

হবিগঞ্জ : বানিয়াচংয়ের সাগরদীঘির উত্তরপাড়ের ঠিকাদার সাবাজ মিয়ার বাড়ি থেকে ডাকাতরা দুই লাখ টাকা, ৯ ভরি স্বর্ণ, তিনটি স্মার্ট ফোনসেটসহ প্রায় ছয় লাখ টাকার মালামাল লুটে নিয়েছে। সূত্র জানায়, সাবাজ মিয়ার পাকা ঘরের গ্রিল কেটে মুখোশধারী ডাকাতরা ঢুকে পরিবারের সদস্যদের হাত-মুখ বেঁধে অস্ত্রের মুখে আটকে রেখে মালামাল লুটে নেয়। ডাকাতদলের এক সদস্যকে চিনতে পেরেছেন বলে জানান সাবাজ মিয়ার স্ত্রী। তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশের কাছে দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। থানার ওসি মোজাম্মেল হক ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেখাছ মিয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ওসি জানান, ডাকাতিতে জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে।



মন্তব্য