kalerkantho


ফেরির নিচে সি-বোট নিহত ১, আহত ১২

শিমুলিয়া- কাঁঠালবাড়ী নৌ রুট

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৬ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০



মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে শিমুলিয়া ঘাটের অদূরে পদ্মায় সি-বোট দুর্ঘটনায় সুফিয়া বেগম (৬০) নামের এক নারী নিহত হয়েছেন। রবিবার সকালের এ দুর্ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন জালাল সর্দার (৬৫) নামের আরো এক ব্যক্তি। নিহত সুফিয়া বেগম মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার হাসাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য। তাঁর স্বামীর নাম সেলিম শেখ। নিখোঁজ জালাল সর্দার শ্রীনগরের কেয়টখালির বাবর আলীর ছেলে। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে কমপক্ষে ১২ জন। গুরুতর আহত সাতজনকে লৌহজং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে।

মাওয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. আরমান হোসন জানান, রবিবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে ২৬ জন যাত্রী নিয়ে একটি সি-বোট শিমুলিয়া ঘাট থেকে কাঁঠালবাড়ীর উদ্দেশে ছেড়ে যায়। একই সময়ে ২ নম্বর ফেরিঘাট থেকে ছেড়ে যায় টাপলু নামের ফেরিটি। সি-বোটটি ২ নম্বর ঘাটের অদূরে পৌঁছামাত্র পদ্মার ঢেউয়ের তোড়ে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেরির টাগবোটের সঙ্গে ধাক্কা খায়। এতে সি-বোটটি ভেঙে টাগবোটের নিচে চলে যায়। এ সময় সুফিয়া নামের এক নারী মারা যান। দুর্ঘটনায় নিখোঁজ হন জালাল সর্দার। তাঁর সন্ধানে নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিদল কাজ করছে। নিখোঁজ জালালের ছেলে আসলাম হোসেন বাপ্পী বলেন, ‘আমার বাবা-বোনসহ একই এলাকার ১০ জন ফরিদপুরে ভাঙার মালি গ্রামে যাচ্ছিলেন সিবোটে করে। কিন্তু পথে দুর্ঘটনার পর আমার বোন উদ্ধার হলেও বাবাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।’

এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সি-বোটটি লৌহজং উপজেলার মেদিনীমণ্ডল ইউনিয়নের কান্দিপাড়া গ্রামের খলিল ফকিরের। এর চালকের নাম আরিফ হোসেন। দুর্ঘটনার পর থেকে চালক ও মালিক পলাতক।

লৌহজং থানার ওসি মো. লিয়াকত আলী জানান, সি-বোট দুর্ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। কারো কোনো অভিযোগ না থাকায় নিহত সুফিয়া বেগমের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

 



মন্তব্য