kalerkantho


লক্ষ্মীপুরে কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগ পুলিশ বলছে নাটক

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি   

১৫ জুন, ২০১৮ ০০:০০



লক্ষ্মীপুরে এক কিশোরীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গত মঙ্গলবার রাতে সদর উপজেলার মান্দারী মিয়াপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বুধবার বিকেলে স্বজনরা কিশোরীকে চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে।

কিশোরীর পরিবারের ভাষ্য মতে, মান্দারী মিয়াপুরের মাতাব্বর সফি উল্যার ছেলে মনির সহযোগীদের নিয়ে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে। তবে পুলিশ বলছে, পূর্ববিরোধের জের ধরে ধর্ষণের নাটক সাজানো হয়েছে।

ঘটনাটি ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানানো হলে তারা বিচারের আশ্বাস দেয়। পরে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে এবং আইনের আশ্রয় না নেওয়ার জন্য স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

কিশোরীর মা জানান, ঘটনার রাতে দরজা খোলা রেখে তিনি ঘরে নামাজ পড়ছিলেন। পরে ঘরে মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে বাইরে গিয়ে অচেতন অবস্থায় মেয়েকে দেখতে পেয়ে চিৎকার দেন। স্থানীয়রা এসে মেয়েকে উদ্ধার করে।

নির্যাতিত কিশোরী জানায়, তাকে ঘুমন্ত অবস্থায় ঘর থেকে মুখে কাপড় চাপা দিয়ে তুলে বাইরে নিয়ে কয়েকজন ধর্ষণ করে। অভিযুক্তদের কথাবার্তা শুনে সে দুজনকে চিনতে পারে। বিষয়টি মীমাংসা করবে বলে কাউকে জানাতে নিষেধ করে তাকে স্থানীয় মাতাব্বরা হুমকি দিয়ে আসছেন।

এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত মনিরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার বাবা সফি উল্যা বলেন, ‘ঘটনাটি সত্য নয়। তবে গ্রামে ইজ্জত রক্ষার্থে অভিযোগটি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করার চেষ্টা করেছি।’

সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. আনোয়ার হোসেন বলেন, মঙ্গলবার রাতে শারীরিকভাবে আঘাতের কথা বলে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি চলে যায় কিশোরী। বুধবার দুপুরে এসে ধর্ষণের কথা বললে বিষয়টি থানায় জানানো হয়।

চন্দ্রগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জাফর আহমদ জানান, গণধর্ষণের ঘটনাটি সঠিক নয়। পূর্ববিরোধের জের ধরে প্রতিশোধ নিতে এ নাটক সাজানো হয়েছে।



মন্তব্য