kalerkantho


টাঙ্গাইল বেবিস্ট্যান্ড-গোলচত্বর সড়ক

১৫ কিলোমিটারে ৩১ গতিরোধক

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি   

১৫ জুন, ২০১৮ ০০:০০



১৫ কিলোমিটারে ৩১ গতিরোধক

টাঙ্গাইল বেবিস্ট্যান্ড থেকে গোলচত্বর পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার সড়কে ৩১টি গতিরোধক রয়েছে। এতে স্বাভাবিক গতিতে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। ছবি : কালের কণ্ঠ

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বেবিস্ট্যান্ড থেকে গোলচত্বর পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার সড়কে ৩১টি গতিরোধক (স্পিড ব্রেকার) রয়েছে। এতে সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। অতিরিক্ত গতিরোধক থাকায় গন্তব্যে পৌঁছাতে সময়ও বেশি লাগছে। ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে যাত্রীদের। সড়কে ঘন ঘন গতিরোধক থাকায় রোগীদের হাসপাতালে নিতেও দুর্ভোগ পোহাতে হয় প্রতিনিয়ত। এত বেশি গতিরোধকের প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছে এই সড়কে চলাচলকারী যানবাহনের চালক ও যাত্রীরা। তারা প্রয়োজনের অতিরিক্ত গতিরোধক অপসারণের দাবি জানায়।

টাঙ্গাইল শহরের বেবিস্ট্যান্ড থেকে গোলচত্বরের দিকে কয়েক শ গজ এগিয়ে গেলেই কাগমারী ব্রিজ। সেটি পার হলে পর পর তিনটি গতিরোধক। তারপর সন্তোষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি প্রবেশপথের সামনে গতিরোধক। এভাবে তোরাপগঞ্জ হয়ে গোলচত্বর যেতে সড়কের বিভিন্ন মোড়, বাজার ও বিভিন্ন দোকান ও বসতবাড়ির সামনে রয়েছে গতিরোধক। ব্যক্তি উদ্যোগেও অনেকে গতিরোধক দিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব গতিরোধকের বেশির ভাগের আগে-পরে গতিরোধক কোনো চিহ্ন নেই। ফলে এ সড়কে চলাচলকারী অনেককে ভোগান্তির শিকার হতে হয়।

বেবিস্ট্যান্ড-গোলচত্বর সড়কের চালক মো. সোহেল মিয়া বলেন, ‘স্কুল, মাদরাসা, মসজিদের সামনে গতিরোধক দরকার। তবে বাসা ও দোকানের সামনে এত গতিরোধকের দরকার নেই। তা ছাড়া সব গতিরোধক সাদা রং দিয়ে চিহ্নিত করে দিলে ভালো হতো। কিছু কিছু গতিরোধক চলন্ত অবস্থায় বোঝা যায় না। এতে আমাদের সমস্যা হয়। গাড়ি ভর্তি যাত্রী থাকলে গতিরোধক পার হওয়ার সময় ঝাঁকি লাগে। নির্দিষ্ট জায়গায় গতিরোধক থাকলে যানবাহন চলাচলে সুবিধা হয়।’ যাত্রী মো. জুলফিকার আলী বলেন, ‘এ রাস্তায় এত গতিরোধক অথচ কোনো সিগন্যাল নেই। হঠাৎ গতিরোধক পার হওয়ার সময় প্রচণ্ড ঝাঁকি লাগে। সিগন্যাল থাকলে চালক নিয়ন্ত্রণে রেখে গাড়ি চালাতে পারত, দুর্ঘটনা বা যাত্রীরা প্রচণ্ড ঝাঁকি থেকেও রেহাই পেত।’

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইলের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (প্রশাসন) মো. রফিকুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘আঞ্চলিক সড়কে গতিরোধক থাকবে। তবে প্রয়োজন ছাড়া ইচ্ছা করলেই কেউ সেটি দিতে পারবে না। গতিরোধকের দুই পাশে চিহ্নও দিতে হবে। অপ্রয়োজনীয় গতিরোধক স্থানীয়ভাবেই অপসারণ করা যেতে পারে।’



মন্তব্য