kalerkantho


এবার ইবির অ্যাম্বুল্যান্সে ডাকাতি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



 

ঝিনাইদহের শৈলকুপা থানার বড়দহ এলাকায় গত সোমবার রাত সাড়ে ৪টার দিকে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) অ্যাম্বুল্যান্সে ডাকাতি হয়েছে। ডাকাতরা অ্যাম্বুল্যান্সে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চার শিক্ষার্থী ও চালকের সব মালপত্র লুটে নিয়েছে। অ্যাম্বুল্যান্সে ভাঙচুর চালিয়ে চালক আব্দুল খালেককে মারধরও করেছে। তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

গত ২৫ জানুয়ারি রাতে একই স্থানে ইবির উপাচার্য হারুন-উর-রশিদ আসকারীর গাড়িতে হামলা করে দুর্বৃত্তরা। উপাচার্য বলেন, ‘এমন ঘটনা বেদনাদায়ক। আগের ঘটনার বিচার হলে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটত না। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে সরকারের উচ্চমহলের কাছে বিচার দাবি করছি।’

অ্যাম্বুল্যান্সের চালক ও শিক্ষার্থীরা জানায়, সোমবার মধ্যরাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের খালেদা জিয়া হলের আরবি বিভাগের শিক্ষার্থী পলি খাতুন অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়। পরে দায়িত্বরত ডা. মিল্টনের পরামর্শে তাঁকে মাগুরা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। এ সময় অসুস্থ শিক্ষার্থীর চার বন্ধু সঙ্গে ছিলেন। হাসপাতালে ভর্তি শেষে রাত ৩টার দিকে তাঁরা ক্যাম্পাসের উদ্দেশে রওনা দেন। পথে বড়দহ এলাকায় অনেক ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে চালক অ্যাম্বুল্যান্স দাঁড় করান। সঙ্গে সঙ্গে পাঁচ-ছয়জন কালো কাপড়ে মুখ বাঁধা দুর্বৃত্ত এসে তাঁদের কাছে টাকা চায়। টাকা দিতে না পারায় তারা চালককে বেধড়ক মারধর করে এবং অ্যাম্বুল্যান্সের গ্লাস ভেঙে ফেলে। অস্ত্রের মুখে অ্যাম্বুল্যান্সে থাকা সবার কাছ থেকে মোবাইল ফোনসেট, টাকা, ব্যাগ ও স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়।

শৈলকুপা থানার ওসি আলমগীর হোসেন বলেন, ‘ঘটনার তদন্ত চলছে। আইনি ব্যবস্থাও প্রক্রিয়াধীন। সন্দেহভাজন একজনকে আটক করা হয়েছে।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মাহবুবর রহমান বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ ব্যাপারে আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।’



মন্তব্য