kalerkantho


সুমন হত্যা

মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার চেয়ে রূপগঞ্জে বিক্ষোভ

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি   

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার চেয়ে রূপগঞ্জে বিক্ষোভ

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সুমন মিয়া হত্যার ঘটনায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে গতকাল বিক্ষোভ মিছিল করে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। ছবি : কালের কণ্ঠ

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ও রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রফিকসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার চেয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার বিকেলে কাঞ্চন-কুড়িল বিশ্বরোডে (৩০০ ফুট সড়ক) উপজেলার নীলা মার্কেট এলাকায় এ কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধনে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সিনিয়র সহসভাপতি হাফিজুর রহমান সজিব, দাউদপুর ছাত্রলীগের যুবলীগের সভাপতি হুমায়ূন আহম্মেদ, কায়েতপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি লুত্ফর রহমান মুন্না, দাউদপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি শিপন মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আশিকুল ইসলাম খোকন, রূপগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আমজাদ হোসেন, ভোলাব ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সজিব মিয়া, মুড়াপাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সভাপতি উজ্জ্বল মিয়া, দাউদপুর ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন, ভুলতা ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা মিরাজ হোসেন, সফিকুল ইসলাম, স্বপন মিয়া, মহিল, জেসমিন আক্তার, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুস সামাদ, শফিকুল ইসলাম খান, রাজেশ, রূপম, তামিম প্রমুখ অংশ নেন।

নেতাকর্মীরা অভিযোগ করে, স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মী সুমন মিয়া পুলিশের গুলিতে নিহত হন। কিন্তু ষড়যন্ত্র করে কায়েতপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা আব্দুল আউয়াল, সালাউদ্দিন মেম্বার, বায়জিদ সাউদ, ছাত্রলীগ নেতা মাসুম চৌধুরী অপুসহ কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়। অবিলম্বে মামলাটি প্রত্যাহার না করলে রূপগঞ্জের রাস্তাঘাট অবরোধের হুমকি দেয় তারা।

মা ও দুই ছেলেকে

পিটিয়ে জখম

রূপগঞ্জে মা ও তাঁর দুই ছেলেকে প্রতিপক্ষের লোকজন বেধড়ক পিটিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল বুধবার সকালে উপজেলার বাড়িয়াছনি এলাকায় ঘটে এ ঘটনা।

থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগ থেকে জানা গেছে, পূর্বশত্রুতার জেরে সুজন মিয়ার বাড়িতে প্রতিপক্ষের বেদন মিয়া, মিদুল, আলী হোসেন মিয়া, দেলোয়ার হোসেন অতর্কিত হামলা ও ভাঙচুর চালায়। বাধা দিলে তারা সুজন মিয়া, তার ভাই সুমন মিয়া ও মা সাজেদা বেগমকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে।

রূপগঞ্জ থানার ওসি ইসমাঈল হোসেন বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

 



মন্তব্য